Published : 09 Jul 2026, 06:39 AM
ঝিনাইদহের জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে এক চাঞ্চল্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পারিবারিক বিরোধের মীমাংসা বা সালিসের নামে এক পরিবারের কাছে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করার অভিযোগে যুবদল নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক মশিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে আতিয়ার রহমান, যিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের বাজারগোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। জানা যায়, একটি পারিবারিক বিবাদের প্রেক্ষাপটে এই দাবি ওঠে।
এক নারীর বিবাহ সংক্রান্ত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ণয় সাহা নামে এক ব্যক্তির দাবি, স্ত্রী তাঁর বাড়ি থেকে স্বর্ণ নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে এসেছেন এবং তাঁকে ফিরিয়ে দিতে গেলে আতিয়ার রহমান টাকা দাবি করেন। এই পরিস্থিতিতে আতিয়ার রহমানের সঙ্গে পূর্ণয় সাহার কথোপকথনের অডিও ক্লিপ সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, যা এই ঘটনার সত্যতা তুলে ধরে। পূর্ণয় সাহা অভিযোগ করেন, তিনি প্রথমে আতিয়ার রহমানকে দুই হাজার টাকা দিয়েছিলেন, কিন্তু পরে তিনি এলাকায় সালিসের নামে এভাবে অর্থ আদায় শুরু করেন। পাঁচ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় তিনি তাঁকে হুমকিও দিয়েছেন। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা যুবদল এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঝিনাইদহ জেলা যুবদলের সভাপতি আহসান হাবিব জানিয়েছেন, আতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে সালিসের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন। যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।।
শাপলা চত্বরের গণহত্যা ছিল সুপরিকল্পিত: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরের বক্তব্য