Published : 27 Jul 2026, 11:27 PM
সরকার কর্তৃক ৩২ জন যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কর্মকর্তারা ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জেলা প্রশাসকসহ (ডিসি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিযুক্ত ছিলেন। এদের মধ্যে অনেকেই ২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের সময় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পদে আসীন ছিলেন। আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
সম্প্রতি সরকার দুই দফায় পুলিশের বিভিন্ন স্তরের অর্ধশতাধিক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে, এবং এই তালিকায়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন প্রাক্তন যুগ্ম সচিবরা। যে ৩২ জন যুগ্ম সচিবকে এই পদক্ষেপের আওতায় আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে মাজেদুর রহমান খান, আবুল ফজল মীর, আসলাম হোসেন, মঈনউল ইসলাম, মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, মো. শাহরিয়ার, কাজী আবু তাহের, এ জেড এম নুরুল হক, মো. মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, অঞ্জন চন্দ্র পাল, এ কে এম মামুনুর রশিদ, কামাল হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, মো. জসিম উদ্দিন, সরোজ কুমার নাথ, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, এস এম অজিউর রহমান, মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক, মতিউল ইসলাম চৌধুরী, নাজিয়া শিরিন, সুলতানা পারিভীন, আনার কলি মাহবুব, মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, সৈয়দা ফারহানা কাইনাইন, সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, মাহমুদুল কবীর মুরাদ, আলী আকবর, এস এম আব্দুল কাদের, এস এম ফেরদৌস ও গোপাল চন্দ্র দাশ। পৃথক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে, এই কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি জীবন ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং জনস্বার্থে সরকার তাঁদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করছে। সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী, যেহেতু তাদের চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে, তাই সরকার জনস্বার্থে তাঁদের বাধ্যতামূলকভাবে অবসর প্রদান করেছে।
বিধি মোতাবেক এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবেন। উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে যদি কারো বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হয়, তবে সরকার জনস্বার্থে তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাতে পারে।।
সময় ভ্রমণ থেকে ইরান আক্রমণ: ট্রাম্পের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সৃষ্ট পোস্টের উন্মাদনা