Published : 26 Jul 2026, 10:11 AM
সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে যে ইরাকের এরবিলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামোর প্রায় সম্পূর্ণ অংশ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। একই সাথে তেহরান ঘোষণা করেছে যে তারা এখন আরাশ-২ ড্রোন থেকেও উন্নত ও আরও আক্রমণাত্মক নজরদারি ড্রোন মোতায়েন করছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বক্তব্য প্রদানকালে দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা আকরামিনিয়া জানান, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। তাঁর ভাষ্যমতে, ইরানি আক্রমণের ফলে এসব ঘাঁটির কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে এবং ইরানবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর অভিযান চালানোর ক্ষমতাও কমে গেছে।
আকরামিনিয়া আরও দাবি করেন যে এরবিলে আমেরিকার সামরিক স্থাপনাগুলির প্রায় পুরোটাই ধ্বংস করা হয়েছে এবং সেখানে এখন কোনো ইরানবিরোধী শক্তি কার্যকরভাবে অভিযান চালাতে পারছে না। তিনি উল্লেখ করেন, ওই অঞ্চলের পাশাপাশি দক্ষিণ ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলেও যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সামরিক সক্ষমতা, সরঞ্জাম ও ঘাঁটি বিদ্যমান। মুখপাত্র আশ্বাস দেন যে তারা এই সাম্প্রতিক ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সংঘাত পুনরায় শুরু হয়, তবে ইরান সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।
আকরামিনিয়া আরও জোর দিয়ে বলেন, "যতক্ষণ না আমেরিকা বুঝতে পারছে যে আগ্রাসনের মাধ্যমে তারা ইরানি জাতির ওপর নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে পারবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত এই অভিযান চলবে।" মুখপাত্র আরও জানান, ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের সামরিক বাহিনী আরাশ-২ ড্রোন ব্যবহার করলেও এখন তারা আরও বেশি ধ্বংসাত্মক, নির্ভুল এবং দূরপাল্লার নতুন ড্রোন ব্যবহার করছে। তবে নতুন এসব ড্রোনের বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করল ইরান; হরমুজ প্রণালীতে নতুন করিডোর প্রত্যাখ্যান