Published : 25 Jul 2026, 12:13 PM
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, চীন এবং রাশিয়া ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করবে না, এই বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হলে তাদের জন্য মারাত্মক পরিণতি অপেক্ষা করছে। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ ট্রাম্প এই বার্তা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বেইজিংয়ে সাম্প্রতিক বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিশ্চিত করেছেন যে চীন কোনো অবস্থাতেই ইরানকে অস্ত্র দেবে বা বিক্রি করবে না। ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে চীনের বিভিন্ন সংস্থা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে। একইসঙ্গে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও ট্রাম্পকে একই আশ্বাস দিয়েছেন।
ট্রাম্পের বিশ্বাস, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের এই সংকটে রাশিয়া ও চীন কোনো পক্ষ নিচ্ছে না। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, 'যদি তারা এই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, তবে তা তাদের নিজেদের স্বার্থের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হবে।' হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার সময় ট্রাম্প দুই দেশের ওপর আস্থা প্রকাশ করেন। ইরানকে সহায়তা করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, 'আমি মনে করি না তারা ইরানকে সাহায্য করছে; আমি তাদের ওপর ভরসা রাখি।' প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের সময় ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হতাহতের ঘটনা এবং পরবর্তীকালে দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাত এই আলোচনার পটভূমি তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ চলতি সপ্তাহে সিনেটের এক শুনানিতে ভিন্ন মত পোষণ করেন।
তিনি ইঙ্গিত দেন যে রাশিয়া ও চীন বিভিন্ন স্তরে ইরানের সঙ্গে সহযোগিতা করছে। যদিও তিনি নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেননি, তিনি উল্লেখ করেন যে ইরান যা করছে, তাতে এই দুই দেশের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এর আগে, ইরান অস্ত্র কেনায় সহায়তার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া ও চীনের বেশ কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার মুখে ফেলেছিল। এছাড়া, যুদ্ধের শুরুতে উপসাগরীয় অঞ্চলে সিআইএ-র স্থাপনায় ইরানের হামলার পর মার্কিন গোয়েন্দারা অনুসন্ধান শুরু করেছিল যে রাশিয়া ইরানকে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে বা ড্রোন প্রযুক্তিতে সহায়তা করছে কিনা। তবে এই বিষয়ে ক্রেমলিন গত বৃহস্পতিবার কোনো মন্তব্য করেনি।।
দাবি মেটানোর আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করল ককরোচ পার্টি, বিক্ষোভকারীদের ঘরে ফেরার আহ্বান