Published : 25 Jul 2026, 04:12 PM
পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত ঘটনায় দেশজুড়ে কয়েক সপ্তাহের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে অবশেষে আজ শনিবার ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি), বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এবং বিরোধী দলগুলোর অবিরাম আন্দোলনের চাপে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। ককরোচ জনতা পার্টি এবং কেন্দ্র সরকারের মধ্যে তৃতীয় দফা আলোচনার শুরু মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স' (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে এই ঘোষণা দেন। দিল্লির যন্তর মন্তরে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে অবস্থান করা বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি এবং কেন্দ্রের মধ্যে আলোচনা সম্পূর্ণভাবে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল।
শনিবার সকালে সিজেপি স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, সরকার যদি ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত করতে অস্বীকার করে, তবে আর কোনো আলোচনা হবে না। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের মাধ্যমে সরকার শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের সমস্ত দাবি মেনে নেয়। আন্দোলনকারীদের তিনটি মূল দাবি ছিল: ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ; আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং প্রশ্ন ফাঁসজনিত কারণে আত্মহত্যার শিকার হওয়া শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা। গত শুক্রবারের আলোচনায় কেন্দ্র সিজেপি-কে শেষোক্ত দুটি দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে তারা নীরব ছিল। এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান মন্তব্য করেন: 'এই দেশের তরুণদের আকাঙ্ক্ষা, আবেগ এবং ন্যায্য প্রত্যাশার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।
ভারতের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন সফল করাই আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের নৈতিক দায়িত্ব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি তাঁর প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।' ।
দাবি মেটানোর আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করল ককরোচ পার্টি, বিক্ষোভকারীদের ঘরে ফেরার আহ্বান