Published : 23 Jul 2026, 06:14 AM
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, আগামী ১ আগস্ট থেকে শুরু করে পরবর্তী দুই বছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা সমস্ত জেনেরিক ওষুধের ওপর কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না। তবে এই সময়সীমা পার হওয়ার পর ২০২৮ সালে এই শুল্কের হার একবারে ১০০ শতাংশে বৃদ্ধি পাবে এবং পরবর্তীতে তা ২০০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। ট্রাম্পের মতে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রে জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন শিল্পকে ফিরিয়ে আনা। যেসব কোম্পানি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে কারখানা ও যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে ব্যর্থ হবে, তাদের ওপর এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কার্যকর হবে।
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি বৃহত্তর উদ্দেশ্য রয়েছে—অন্যান্য উচ্চ আয়ের দেশগুলোর মতো যুক্তরাষ্ট্রেও ওষুধ ন্যায্য মূল্যে সহজলভ্য করা। এর জন্য তিনি ওষুধ প্রস্তুতকারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন, যাতে তারা নিজেদের 'মোস্ট-ফেভারড-নেশন' মূল্যনীতি মেনে চলে। তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া ওষুধের ৯০ শতাংশেরও বেশি জেনেরিক ওষুধ। যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে পেটেন্ট করা, ব্র্যান্ডেড বা উদ্ভাবনী ওষুধের ক্ষেত্রে এই নীতি অপরিবর্তিত থাকবে।
এর আগে, মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো বহু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, যার ফলে শত শত কোটি ডলার মূল্যের ওষুধ শুল্কমুক্ত রাখা সম্ভব হয়েছে। পূর্বে ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন, যেখানে উল্লেখ ছিল যে, যদি ব্র্যান্ডেড ওষুধ প্রস্তুতকারকরা সরকারি মূল্যে বিক্রি করতে বা যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন করতে সম্মত না হন, তবে তাদের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।।