Published : 24 Jun 2026, 01:46 AM
ছাত্রশিবিরের দ্বারা সংঘটিত গুম ও অপহরণের জঘন্য ঘটনাগুলোর শিকার ব্যক্তিদের অসম্মান করা এবং গুপ্ত কার্যকলাপের প্রতিবাদে ছাত্রদল এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। এই প্রতিবাদে তারা সরকারকে মিথ্যা অভিযোগ চাপানো এবং গুপ্ত নেতা-কর্মীদের দ্বারা নারী নির্যাতনসহ অন্যান্য ঘৃণ্য অপরাধ সংঘটনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। শনিবার রাত ৯টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ এই প্রতিবাদ মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য পেরিয়ে শাহবাগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। এই বিক্ষোভে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, মহানগর শাখা এবং বিভিন্ন কলেজের অসংখ্য কর্মী-সমর্থক অংশ নেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ইসলামী ছাত্রশিবিরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গোপন রাখার বিষয়ে তীব্র নিন্দা জানান। রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একযোগে দাবি করেছেন যে দেশে গুমের সংস্কৃতি পুনরায় শুরু হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই ঐক্যবদ্ধ প্রচারণার মাধ্যমে সরকারকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। জামায়াত-শিবিরের প্রতি রাকিবুল ইসলাম বলেন, যারা বিগত দুই বছর ধরে ক্রমাগত মবকে উসকানি দিয়েছে এবং প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি মব তৈরি করেছে, যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করে অবিরাম মিথ্যাচার ও নোংরামি ছড়ায়, তাদের প্রতি তিনি তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন আরও বলেন, যখন তারা গুমের একটি নাটক মঞ্চস্থ করে গণমাধ্যমে দাবি করে যে জিসান মিয়া তাদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক, তখন যদি সে এমন বিতর্কিত কাজ না করত, তাহলে আমরা এই তথ্য জানতে পারতাম না।
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির যখনই কোনো নাটক মঞ্চস্থ করেন, তখনই তিনি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভেরিফায়েড আইডিতে সেই নাটক সাজিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর থেকে জামায়াত-শিবির বাংলাদেশে জনবিরোধী নীতি ও মুনাফেকির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে। তারা নারী হেনস্তাকারীদের পক্ষে নিয়ে একের পর এক নারীদের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিসরে নিরাপত্তাহীন করে তুলেছে।।
ভিসা আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকারে সাময়িক বিরতি ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন অভিযানের মাঝে