Published : 19 May 2026, 10:05 PM
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিস্ফোরক заявлении জানিয়েছেন, ইরানকে লক্ষ্য করে হামলার জন্য মার্কিন বাহিনী প্রায় প্রস্তুত ছিল, এবং তারা মাত্র এক ঘণ্টা দূরে ছিল চূড়ান্ত আঘাত হানার। তিনি আরও দাবি করেন, তেহরান যেন কোনোভাবে একটি চুক্তির জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছে। হোয়াইট হাউসে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি এমন ছিল যে মার্কিন বাহিনীকে আবারও ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে হতে পারতো। তিনি জানান, মার্কিন নৌবহরের যুদ্ধজাহাজগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক অস্ত্র বোঝাই করা হয়েছিল, এবং সেগুলো ইরানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত ছিল।
ট্রাম্পের মতে, যদিও শান্তি আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা চলছে, তবুও প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপর “আরও বড় আকারের আঘাত” হানতে বাধ্য হতে পারে। চীন ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করছে না: ট্রাম্প ট্রাম্প জানিয়েছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাকে ব্যক্তিগতভাবে আশ্বাস দিয়েছেন যে, ইরানকে কোনো প্রকার অস্ত্র সরবরাহ করা হবে না। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি। আমি তার কথা বিশ্বাস করি এবং এর জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই।” সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলায় প্রস্তুত ইরান: উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছে - গতকাল সোমবার দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমন বক্তব্য দেওয়ার পর, ইরানের আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজিম গারিবাবাদি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
তিনি এক্সে (পূর্বে টুইটার) পোস্ট করে লিখেছেন, “এই পদক্ষেপ যেকোনো মুহূর্তে ব্যাপক হামলার প্রস্তুতি নেওয়ার ইঙ্গিত দেয়। এর অর্থ হলো, ‘হুমকি’কে ‘শান্তির সুযোগ’ হিসেবে চিহ্নিত করা।” তিনি আরও বলেন, “ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ইরান যেকোনো সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলায় সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত।”।
ইরানের নতুন প্রস্তাবেও চিড় ধরলো, যুদ্ধংদেহী মনোভাব যুক্তরাষ্ট্রের!