Published : 18 May 2026, 02:05 PM
ইসরায়েলে একের পর এক কার্গো বিমান এসে পৌঁছেছে, যেগুলোতে বোঝাই করা হয়েছে অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র। ইসরায়েলি মিডিয়া চ্যানেল ১৩ জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘন্টায় জার্মানির বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি থেকে আসা এই বিমানগুলো তেল আবিব বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে এই অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে। নিউইয়র্ক টাইমস সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের দুই কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, গত মাসের যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা চালানোর জন্য সবচেয়ে বেশি প্রস্তুতি নিচ্ছে। আসছে সপ্তাহে ইরানের পরমাণু স্থাপনা এবং খারগ দ্বীপের দিকে হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে নতুন করে হামলা চালায়, তবে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের সাথে যোগ দিতে প্রস্তুত।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এখন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর একজন কর্মকর্তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলা চালালে ইসরায়েল সরাসরি সেই অভিযানে অংশ নেবে। এই হামলার প্রধান লক্ষ্য হতে পারে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো। জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে প্রায় আধ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ হয়েছে। এই আলাপচারিতায় ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানাচ্ছে, নতুন করে সংঘাতের দামামা বাজানোর আগে সামরিক বাহিনীকে ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।
ইসরায়েল আশা করছে, যে কোনো হামলার আগে ওয়াশিংটন তাদের আগে থেকে জানিয়ে দেবে। তবে, ঠিক কখন এই হামলা শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত খবর পাওয়া যায়নি। চ্যানেল ১২ আরও জানিয়েছে, ট্রাম্প বর্তমানে ইরানের সাথে নতুন করে যুদ্ধ না করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে আন্তর্জাতিক মহলের পক্ষ থেকে চাপের মুখে রয়েছেন। বিশেষ করে চীন, ট্রাম্পকে সামরিক সংঘাত এড়িয়ে চলার জন্য জোরালো অনুরোধ জানিয়েছে।।
আকাশে আকস্মিক ধাক্কা! মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলটরা সুরক্ষিত