Published : 17 May 2026, 01:13 AM
গত মাসের শান্তিচুক্তি টেকসই না হওয়ায় ইরানকে লক্ষ্য করে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সবচেয়ে বেশি প্রস্তুতি নিচ্ছে। নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্যের দুই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে, সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এই অভিযান শুরু হতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা অথবা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া পরমাণু সংক্রান্ত সরঞ্জাম উদ্ধার করা। এর জন্য কমান্ডো বাহিনী পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি পদক্ষেপ, যেখানে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। কারণ, এই অভিযান সফল করতে কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে হবে এবং ইরানি স্থলবাহিনীর সাথে সরাসরি সংঘর্ষের সম্ভাবনাও প্রবল। একইসাথে, সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগরের কৌশলগত তেল রপ্তানি কেন্দ্র ‘খারগ দ্বীপ’ দখলের বিষয়টিও তাদের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে। এছাড়াও, ইরানের সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে আগের চেয়েও তীব্র বোমা হামলা চালানোর বিকল্প পরিকল্পনাও বিবেচনা করা হচ্ছে।
ইসরায়েলের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারা মনে করেন, ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল করে দেওয়া, তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে থামানো এবং ইরানি জনগণের মধ্যে শাসন পরিবর্তনের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করাই এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্য। কিন্তু গত মাসের যুদ্ধবিরতি হওয়ায় সেই লক্ষ্যগুলো পূরণ হয়নি। তাই নতুন করে এই রণপ্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।।
কিউবার প্রাক্তন নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতে অভিযোগের তোড়জোড়