Published : 01 Aug 2026, 12:51 AM
আর্থিক ও কাঁচামালের তীব্র সংকটের মুখে চট্টগ্রামভিত্তিক এস আলম গ্রুপের অন্তত এগারোটি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে চার হাজারেরও বেশি শ্রমিক তাদের কর্মসংস্থান হারিয়েছে এবং অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। শ্রমিকদের দাবি, গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে এই বন্ধের নির্দেশ কার্যকর হয়েছে। যদিও কোম্পানি শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছে, তবে ছাঁটাইয়ের বিষয়টি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের শ্রমিকরা জানিয়েছেন, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তালিকাভুক্ত কর্মীদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, যা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে। এই আকস্মিক ছাঁটাই কর্মক্ষেত্রে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
জানা গেছে, কর্ণফুলী অঞ্চলে বন্ধ হয়ে যাওয়া এই কারখানাগুলোর মধ্যে চিনি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এবং অন্যান্য ইউনিটগুলো অন্তর্ভুক্ত। তথ্য অনুযায়ী, এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থায়ী ও অস্থায়ী শ্রমিকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ছিল। ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে সরকারি সহযোগিতা না পাওয়া এবং কাঁচামাল আমদানির সমস্যা এই তছরুপের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও আগে কিছু কর্মী ছাঁটাইয়ের শিকার হলেও কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ ছিল না, এবারই সমস্ত ইউনিট বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের এক কর্মকর্তা ব্যাখ্যা করেছেন যে, কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার কারণ আকস্মিক নয়, বরং প্রায় দুই বছরের পরিচালনগত সমস্যার চূড়ান্ত পরিণতি। তিনি উল্লেখ করেন, কোম্পানির সম্পত্তি এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নিষেধাজ্ঞার কারণে গত বছর আগস্ট মাস থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো সংকটের মধ্যে ছিল।
বর্তমানে গুদামে অবশিষ্ট কাঁচামালও শেষ হয়ে গেছে। কর্মকর্তারা আরও জানান, কিছু ক্ষেত্রে শ্রমিকদের প্রাপ্য মজুরি ও অন্যান্য সুবিধা পরিশোধ করা হয়েছে। কিছু কর্মীকে চাকরির মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে ৭ লাখ টাকা থেকে শুরু করে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থ প্রদান করা হয়েছে। যদিও শ্রমিকরা আশা করছেন যে সরকার যদি কোম্পানিকে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করার সুযোগ দেয়, তবে উৎপাদন আবার চালু হতে পারে।।
থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগের ডেটাবেজ তৈরির জরুরি ডাক দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান