Published : 01 Jun 2026, 02:51 AM
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য পরমাণু চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার উপদেষ্টামণ্ডলীকে নিয়ে হোয়াইট হাউসের ‘সিচুয়েশন রুম’-এ এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। শুক্রবার (২৯ মে) নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশাল’-এ এক বিস্তারিত বার্তায় ট্রাম্প এই বৈঠকের খবর জানান। তিনি লিখেছেন, “একটি নিষ্পত্তিমূলক সিদ্ধান্তে আসার জন্য আমি এখন সিচুয়েশন রুমে আলোচনা করছি।” পোস্টে ট্রাম্প চুক্তির বেশ কিছু কঠিন শর্তাবলী উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ১. পরমাণু অস্ত্রমুক্তির প্রতিশ্রুতি: ইরানকে অবশ্যই দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকার করতে হবে যে, তারা কোনো প্রকার পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরি করবে না।
২. হরমুজ প্রণালীর অবাধ চলাচল: কৌশলগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় হরমুজ প্রণালী অবিলম্বে সকল প্রকার জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে এবং সেখানে কোনো টোল বা বিধি-নিষেধ আরোপ করা যাবে না। ৩. নৌ-মাইন অপসারণ: হরমুজের জলসীমায় ইরান কর্তৃক স্থাপন করা সকল মাইন দ্রুত অপসারণ করতে হবে। ৪. অবরোধ প্রত্যাহার: চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীর নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, যার ফলে সেখানে চলাচলকারী জাহাজগুলো পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবে। ৫. ইউরেনিয়াম বিনষ্টকরণ: ইরানের কাছে থাকা উচ্চ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ যুক্তরাষ্ট্র শনাক্ত করবে এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তা ধ্বংস করা হবে। জব্দকৃত অর্থ ফেরত দেওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত কোনো আর্থিক লেনদেন হবে না।
’ এর মাধ্যমে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, চুক্তি সম্পাদনের পূর্বে ইরান কোনো প্রকার আর্থিক সুবিধা বা জব্দকৃত তহবিল ফেরত পাবে না। হোয়াইট হাউসের ‘সিচুয়েশন রুম’ হলো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে সুরক্ষিত এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন একটি কেন্দ্র। এটি মূলত একটি কমান্ড সেন্টার, যেখানে প্রেসিডেন্ট এবং তার জাতীয় নিরাপত্তা দল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন।।
কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চিত্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী