Published : 28 May 2026, 04:06 PM
পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে রাজধানীর গাবতলী আন্তজেলা বাস টার্মিনাল প্রায় জনশূন্য। সকাল থেকেই অধিকাংশ কাউন্টার閑 পড়ে আছে। যাত্রী কম থাকায় পরিবহন শ্রমিক ও কাউন্টারকর্মীদের সময় কাটছে অলসভাবে। সরেজমিনে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১১টা পর্যন্ত গাবতলীতে গিয়ে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলগামী কয়েকটি বাস চলাচল করছে, তবে যাত্রী সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। অনেক বাস নির্ধারিত সময় পেরিয়েও যাত্রী ছাড়াই গন্তব্যের দিকে ছেড়ে যাচ্ছে। হাতে গোনা কয়েকজন যাত্রী পাওয়ার আশায় পরিবহন শ্রমিকদের吆吆 করতে শোনা যাচ্ছে। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের পথে রওনা হয়েছেন আবদুল মোমিন। কাঁচপুর থেকে এসেছেন তিনি। হানিফ পরিবহনের প্রতিটি আসনের জন্য ১ হাজার ১০০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছেন।
মোমিন বলেন, “আমি ও আমার স্ত্রী দুজনেই পোশাক কারখানায় কাজ করি। ২৬ তারিখ থেকে ছুটি পেয়েছি, আর ৬ তারিখ অফিস খুলবে। বাচ্চাদের নিয়ে আগে গেলে যানজট আর বৃষ্টির ঝামেলা হতো, তাই আজ রওনা হলাম। এখন রাস্তায় তেমন যানজট নেই।” ঈগল পরিবহনের টিকিট বিক্রয় প্রতিনিধি জয়ন্ত রায় জানান, ঈদের দিনে যাত্রী একেবারেই কম। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত খুলনাগামী বাসের মাত্র তিনটি টিকিট বিক্রি হয়েছে। তিনি বলেন, “হয়তো সাভার কাউন্টার থেকে কিছু যাত্রী পাওয়া যেতে পারে।” রাবেয়া পরিবহনে পরিবার নিয়ে কুষ্টিয়া যাচ্ছিলেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম। প্রতিটি আসনের জন্য ৬০০ টাকা দিয়ে টিকিট কাটলেও, যাত্রী কম থাকায় বাস ছাড়তে দেরি হচ্ছে বলে জানান তিনি।
ইব্রাহিম বলেন, “কাউন্টার থেকে জানিয়েছে, সব আসন পূর্ণ হলেই বাস ছাড়বে। কখন যাত্রী পূর্ণ হবে, সেই অপেক্ষায় আছি। গতকাল ছুটি পেয়েছি, তাই ঈদের দিন রওনা হলাম।” এদিকে, বেলা ১১টার দিকে কয়েকজন গরু ব্যবসায়ীকে কুষ্টিয়া ফেরার জন্য শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টারে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। তারা জানান, প্রতিটি আসনের জন্য ৯০০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছেন, তবে বাস ছাড়ার জন্য পর্যাপ্ত যাত্রী প্রয়োজন। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের আগের দুই দিনেই অধিকাংশ মানুষ ঢাকা ছেড়ে যাওয়ায় টার্মিনালে যাত্রীর চাপ অনেক কমে গেছে।।
হামে জর্জরিত বাংলাদেশ: dernières ২৪ ঘন্টায় আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি, মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫৬৫-তে উন্নীত