Published : 30 May 2026, 09:26 AM
ওয়েবসাইট ও কনটেন্ট ফিল্টারিংয়ের ক্ষমতা বাড়াতে সরকার প্রায় ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম কিনছে। 'ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার' (এনটিএমসি)-এর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবনা অনুমোদন করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী, এনটিএমসির 'কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিং ব্যবস্থা সম্প্রসারণ (প্রথম পর্যায়)' প্রকল্পের অধীনে তিনটি অত্যাধুনিক নেক্সট জেনারেশন ফায়ারওয়াল ডিভাইস, দুটি মাল্টি-ফাংশনাল হাইব্রিড প্যাকেট ব্রোকার, তিনটি সুইচ ম্যানেজমেন্ট কার্ড এবং ছয়টি ডেটা সেন্টারের আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম কেনা হবে। সংবেদনশীলতার কারণে, শুধুমাত্র ৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমিত দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল।
এর মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠান কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব জমা দেয়, যাদের মধ্যে দুটি যোগ্য বিবেচিত হয়। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশে ঢাকার ধানমন্ডিভিত্তিক গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। অনুমোদিত দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে ২.৩৯ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর অধীনে গঠিত এনটিএমসির কার্যক্রম নিয়ে অতীতে নানা সময়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই সংস্থা নাগরিকদের উপর নজরদারি ও ফোনে আড়ি পেতেছিল। যদিও সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করে, যেখানে নজরদারি ও ফোনে আড়ি পাতার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের কথা বলা হয়। পরবর্তীতে এপ্রিলে বিএনপি সরকার সংশোধিত আইনটি প্রণয়ন করে। এর আগে, গত ডিসেম্বরের ২১ তারিখে ৯৪ জন বিশিষ্ট নাগরিক যৌথ বিবৃতিতে এনটিএমসি ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান।।
কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চিত্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী