Published : 14 Nov 2025, 01:06 AM
স্টিভেন কিংয়ের ১৯৮২ সালের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘দ্য রানিং ম্যান’—এটি এক শ্বাসরুদ্ধকর ডিস্টোপিয়ান অ্যাকশন থ্রিলার। এডগার রাইট পরিচালিত এই ছবিতে অভিনয় করেছেন গ্লেন পাওয়েল, উইলিয়াম এইচ ম্যাসি, মাইকেল সেরা, এমিলিয়া জোন্স, ড্যানিয়েল এজরা, জেমি লসন, কোলম্যান ডোমিঙ্গো, জোশ ব্রোলিন প্রমুখ। প্যারামাউন্ট পিকচার্সের তত্ত্বাবধানে ১৪ নভেম্বর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে চলেছে সিনেমাটি, এবং একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে এটি দেখানো হবে। মাল্টিপ্লেক্সের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, недалёком ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক সংকট গ্রাস করেছে পৃথিবীকে। বেকারত্ব আর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নে জর্জরিত মানুষ। জনগণের মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে রাখার জন্য সরকার চালু করেছে এক ভয়ংকর টেলিভিশন গেম শো—‘দ্য রানিং ম্যান’। এই শো-তে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীরা পরিচিত ‘রানার’ নামে।
সমাজের প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ, যাদের সামনে একটাই পথ খোলা—যদি তারা ৩০ দিন টিকে থাকতে পারে, তবেই তারা বিপুল অর্থ ও স্বাধীনতা অর্জন করতে পারবে। কিন্তু তাদের তাড়া করে একদল সশস্ত্র হত্যাকারী, যারা রাষ্ট্রের নির্দেশে এই খেলা পরিচালনা করে। গ্লেন পাওয়েলকে দেখা যাবে ‘বেন রিচার্ডস’ চরিত্রে, যে এক desventurado বাবা। তার অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে সে এই বিপজ্জনক খেলায় অংশ নেয়। বেন একজন সাধারণ কারখানার শ্রমিক, যার ছোট মেয়ে মারাত্মক অসুস্থ। অন্যায় রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার কারণে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। অবশেষে, পরিবারের জন্য মরিয়া হয়ে সে এই শো-তে অংশ নেয়। খেলাটি ৪ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে প্রচার করা হয়।
রিচার্ডসকে ১২ ঘণ্টার একটি প্রাথমিক সময় দেওয়া হয়, এরপর পুরো শহর তার জন্য এক শিকারের ক্ষেত্র হয়ে ওঠে। যে তাকে ধরিয়ে দেবে, সে পুরস্কার পাবে—অর্থাৎ, পুরো সমাজই যেন তার শত্রু। ধীরে ধীরে রিচার্ডস বুঝতে পারে, এই শো শুধু বিনোদন নয়, এটি সরকারের জনগণের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি কৌশল। কিন্তু পালাতে পালাতে রিচার্ডস একটি গোপন প্রতিরোধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়, যারা এই খেলার আসল উদ্দেশ্য প্রকাশ করতে চায়। শেষ পর্যন্ত, রিচার্ডস শুধু নিজের জীবনের জন্য নয়, পুরো দেশের মুক্তির জন্য লড়ে যায়। ‘দ্য রানিং ম্যান’ প্রমাণ করে, কীভাবে মানুষের মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে রাখা যায়।।
কিংবদন্তী আশা ভোসলের বিদায়: সঙ্গীতাকাশে চিরস্থায়ী আলো নিভে গেল