Published : 01 May 2026, 09:05 PM
মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি সম্মান জানানো তো দূরের কথা, ক্ষমাও চায়নি জামায়াত – এই বিষয়টিই প্রমাণ করে দেয় তাদের আগের ও পরের রূপ একই। ময়মনসিংহে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ও মহান মে দিবস উপলক্ষে এক শ্রমিক সমাবেশে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ এই মন্তব্য করেন। ময়মনসিংহ জেলা শ্রমিক দলের উদ্যোগে শুক্রবার বেলা তিনটায় শহরের রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সৈয়দ এমরান সালেহ বলেন, জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার নির্বাচনের ওয়াদা অনুযায়ী জনকল্যাণমূলক কাজে মনোযোগ দিয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষ উপকৃত হচ্ছে, এবং ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও বাড়বে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করার চেষ্টা চলছে।
নতুন কর্মসংস্থান তৈরির জন্য সরকার একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছে। বাজারের দামের সাথে সঙ্গতি রেখে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি সরকার মনে রেখেছে, এবং অর্থনীতির কঠিন পরিস্থিতি সত্ত্বেও তা বাস্তবায়নের পথে কাজ করছে। শ্রমিকদের কাজের নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো শ্রমিকশ্রেবি। শ্রমিকদের ঘামে-শ্রমে দেশের উৎপাদন বাড়ে, অর্থনীতির চাকা ঘুরে। তাই শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব।
শ্রমিকদের মুখে হাসি ফোটাতে পারলেই দেশের উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী হবে। এই লক্ষ্য নিয়ে সরকার শ্রমিকবান্ধব নীতি গ্রহণ করেছে। ময়মনসিংহ জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আবু সাইদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মফিদুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওহাব আকন্দ, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও মুক্তাগাছা আসনের সংসদ সদস্য জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে, পূর্বের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমলে কারাবন্দী থাকা শ্রমিক দলের নেতাকর্মীদের ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। সমাবেশে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক, নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।।
আহমদ ছফার 'গাভী বিত্তান্ত': বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও ক্ষমতার মায়াজাল নিয়ে পাঠচক্র