Published : 02 Apr 2026, 11:07 PM
আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু অভিযোগ করেছেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়নে বিএনপির কথা ও কাজের মধ্যে বড় ধরনের গরমিল রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পল্টনে এক জনসমাবেশ ও মিছিল থেকে তিনি এই অভিযোগ করেন। ‘ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষিত জুলাই সনদ এবং গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে’ এবি পার্টি এই কর্মসূচির আয়োজন করে। mজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন হলে কেবল ১৯৭৫ সালের জুলাই মাসের ঘটনার কিছুটা হলেও সার্থকতা খুঁজে পাওয়া যাবে। অন্যথায়, সেই ঘটনা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। সরকারি দলের জুলাই সনদ এবং গণভোট নিয়ে ক্রমাগত টালবাহানা ও সাংবিধানিক বিতর্ক সৃষ্টি হতাশাজনক।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, “যদি ১৯৭১ সালের মুক্তিুদ্ধে আমরা পরাজিত হতাম, তবে শেখ মুজিব, জিয়াউর রহমানসহ সকল মুক্তিযোদ্ধা দেশদ্রোহিতার অভিযোগে এবং পাকিস্তানের সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে মৃত্যুদণ্ড ভোগ করতেন। জুলাই সনদের বাস্তবায়ন না হলে এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সনদ বাস্তবায়নে যে বিভেদ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, এর ফলস্বরূপ আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে আবার ক্ষমতায় এলে তারেক রহমান, শফিকুর রহমান, ড. ইউনূস, নাহিদ ইসলামসহ আমাদের সবাইকে সংবিধান লঙ্ঘন ও বিপ্লবের দায়ে শাস্তি পেতে হতে পারে।” গণভোট ও জাতীয় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশকে সাংবিধানিক বিতর্কের মুখে ঠেলে দেওয়া ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের সুরে কথা বলার শামিল বলে মন্তব্য করেন মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের ঠিকানা রাজপথ, আর রাজপথই বারবার বাংলাদেশের ইতিহাস পরিবর্তন করেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে যদি কোনো বাধা আসে, তবে রাজপথের গণ-আন্দোলনই চূড়ান্ত লক্ষ্য হবে। এবি পার্টির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান ওহাব মিনার বলেন, জুলাই সনদের বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
তিনি বিএনপিকে জুলাই মাসের চেতনাকে ধারণ করে দেশ পরিচালনার আহ্বান জানান, অন্যথায় হাসিনার পরিণতি কী হতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা বলেন। এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসাইনের সঞ্চালনায় সমাবেশে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, আবদুল্লাহ আল মামুন রানা, এ বি এম খালিদ হাসান, আমিনুল ইসলাম, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুল হালিম খোকন, শ্রমিকবিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা বিজয় নগর, কাকরাইল, নয়া পল্টন ও পল্টন মোড় হয়ে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় অফিস চত্বরে এসে শেষ হয়।।
বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থিতিশীল, কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে মাঝে মাঝে বিভ্রাট অনিবার্য