Published : 22 Jul 2026, 01:11 AM
বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সাতটি দেশের আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বিমসটেকের সদস্য রাষ্ট্রগুলো সম্মিলিতভাবে আলোচনা করে নিজেদের এজেন্ডা নির্ধারণ করে। রোহিঙ্গা সংকট যেহেতু মূলত একটি 'রাজনৈতিক' সমস্যা, তাই এই আলোচনার তালিকায় তা অন্তর্ভুক্ত নেই। এই প্রসঙ্গে বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডে আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সামনে এই বিষয়টি আলোকপাত করেন। দুপুরের পর রাজধানীর গুলশানে বিমসটেক সচিবালয়ে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে বিমসটেকের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে পান্ডে বলেন, ‘সদস্য দেশগুলো একসঙ্গে বসে বিমসটেকের এজেন্ডা ঠিক করে।
বর্তমানে আমাদের এজেন্ডায় রাজনৈতিক প্রকৃতির বিষয়গুলো স্থান পায় না। অতএব, এই বিষয়টিও সেই একই অবস্থানে রয়েছে।’ বিমসটেক গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে বাস্তব ও দৃশ্যমান সহযোগিতার দিকে চালিত করা, বিশেষত কারিগরি ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে। এই লক্ষ্য অর্জনে সদস্য দেশগুলো প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সমর্থন জুগিয়েছে। সংস্থাটি মূলত দৃশ্যমান সহযোগিতার ওপর জোর দেয় এবং রাজনৈতিক সংঘাত থেকে নিজেকে দূরে রাখে।
প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার বিমসটেক মহাসচিবের উপস্থিতিতে এক সেমিনারে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য সংস্থাটিকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। প্রতিমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরদিন জোটের প্রধান এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় এক লক্ষ এক হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। তারা মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়ে আসছে বাংলাদেশ।।
ইরানের দাবি: রাতভর মার্কিন হামলা; কুয়েত-বাহরাইনে সামরিক স্থাপনা ও রাডার লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত