Published : 14 Jul 2026, 02:14 AM
যুগপৎ আন্দোলনের সহযোগী দলগুলোর প্রধান নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের এক বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে আগামী ২০ জুলাই। এই বৈঠকের মাধ্যমে রাজনৈতিক ঐক্যের নতুন পথ প্রশস্ত করার লক্ষ্য রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এই উপলক্ষে ইতোমধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে, এই নৈশভোজের আমন্ত্রণ সকলের জন্য সমান নয়। যেসব সহযোগী দল ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হননি বা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেননি, তাদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে না। বরং, তাদের রাজনৈতিক অবস্থান এবং ভবিষ্যতের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
সূত্রের দাবি, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকারের ভূমিকা নিয়ে সহযোগী দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ বিদ্যমান। এই দূরত্ব কমানোর জন্য এবার সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জানা গেছে, এই নৈশভোজের সময় তিনি সহযোগী নেতাদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করবেন, যেখানে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমন্বয় এবং সরকারে অংশীদারিত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে। বিএনপির মিত্র দলগুলোর কিছু নেতা জানিয়েছেন, সহযোগী দলগুলোর অসন্তোষ নিয়ে ইতোমধ্যে বিএনপির উচ্চপদস্থ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং কেউ কেউ তারেক রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে (টিবিএস) বলেন, দীর্ঘদিনের আলোচনার পর এবার আনুষ্ঠানিক বৈঠকের আশা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, "আমরা সরকারের রাজনৈতিক যাত্রাপথ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাই।
সরকারের কর্মপন্থা, সাফল্য, দুর্বলতা এবং কোন বিষয়ে আরও মনোযোগ প্রয়োজন— এসব বিষয়ে আমরা স্বচ্ছ আলোচনা করতে চাই।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার সম্পর্ক শেষ করতে চায় নাকি ভবিষ্যতেও এই সমন্বয় বজায় রাখতে চায়, তা এই আলোচনায় স্পষ্ট হবে। গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরীও জানান, তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার কথা শোনা হয়েছে, যদিও এখনো নির্দিষ্ট দিন-তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।।
হরমুজ প্রণালীর ওপর মার্কিন শুল্ক আরোপের ঘোষণা: ট্রাম্পের নতুন কৌশল