Published : 14 Jul 2026, 12:12 AM
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র আবারও হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে চলাচলকারী ইরানের জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। এর পাশাপাশি, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাওয়া সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজের কাছ থেকে ২০ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করা হবে। সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন এবং দাবি করেন, হরমুজ প্রণালীর 'অভিভাবক' হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র দায়িত্ব নেবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যয়ের জন্য প্রণালীর মধ্য দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি পণ্যবাহী জাহাজ থেকে এই শুল্ক আদায় করা হবে। ট্রাম্প আরও জানান, এই নতুন প্রক্রিয়া ও কাঠামোর বাস্তবায়ন শীঘ্রই শুরু হবে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও তীব্র করেছে। এই নৌপথ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য কতটা উন্মুক্ত থাকবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ বিদ্যমান। হোয়াইট হাউস এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। কীভাবে এই পদক্ষেপ কার্যকর করা হবে বা উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা, সে বিষয়েও কোনো স্পষ্টীকরণ দেওয়া হয়নি। এর আগে ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প এই প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলেছিলেন।
তিনি দাবি করেন, এই কৌশলগত জলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নেবে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর বিনিময়ে পারিশ্রমিক দাবি করবে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই প্রণালীর 'রক্ষাকর্তা দেবদূত' হিসেবে কাজ করবে এবং এর জন্য অর্থ গ্রহণ করবে। ট্রাম্পের মতে, অন্যান্য দেশ যারা এই জলপথ ব্যবহার করে, তাদের কাছ থেকে বিনা পয়সায় এই সেবা আশা করা যায় না, কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু রাষ্ট্র।।
মার্কিন-ইরানি সংঘাতের মাঝে তেলের দাম বৃদ্ধি: হরমুজ প্রণালীর অস্থিরতা কি আরও বাড়াচ্ছে সংকট?