Published : 11 Feb 2026, 01:07 AM
কলম্বোর মাঠ যেন প্রতিশোধের মঞ্চ! যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এক দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে পাকিস্তান। দুই বছর আগের হারের গ্লানি মুছে দিয়ে তারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় ছিনিয়ে নিল। ম্যাচের আগে যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড় মোহাম্মদ মহসিন আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেছিলেন, পাকিস্তানীরাই চাপের মুখে ভেঙে পড়বে। কিন্তু আজ কলম্বোতে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। ৩২ রানের বিশাল ব্যবধানে পাকিস্তানকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা আর আগের মতো দুর্বল নয়। আজ পাকিস্তান ৯ উইকেটে ১৯০ রান সংগ্রহ করে। জবাবে, যুক্তরাষ্ট্র ৮ উইকেটে ১৫৮ রানে থামে। এই জয়ের ফলে সুপার এইটের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। এর আগে, পাকিস্তান তাদের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়েছিল। তবে আজকের ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বোলারদের দারুণ নৈপুণ্য পাকিস্তানকে ২০০ রানের গণ্ডি অতিক্রম করতে বাধা দেয়।
পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি দ্রুত ৫৪ রান তুললেও, শ্যাডলি ফন শালভিকের দারুণ বোলিং পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দেয়। ষষ্ঠ ওভারে তিনি সাইম আইয়ুব (১৭ বলে ১৯ রান) এবং পাকিস্তানী অধিনায়ক সালমান আগাকে (১ রান) আউট করে দেন। যদিও ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান এক প্রান্ত ধরে খেলে যান এবং বাবর আজমের সাথে ৮২ রানের জুটিতে পাকিস্তানকে কক্ষপথে রাখেন। ফারহান ৪১ বলে ৭৩ রান করেন এবং বাবর ৩২ বলে ৪৬ রান আউট হন। এরপর শাদাব খান ১২ বলে ৩০ রান করে দলের স্কোরকে আরও বাড়াতে সাহায্য করেন। তবে শেষ ৪ বলে ৩ উইকেট পড়ায় পাকিস্তান ১৯০ রানে আটকে যায়। শালকভিক ৪ উইকেট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেরা বোলার হন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে যুক্তরাষ্ট্রের ওপেনিং জুটি ৪২ রান তোলে। তবে মোহাম্মদ নেওয়াজ আন্দ্রিস গৌওসকে আউট করে তাদের প্রতিরোধ ভাঙেন। এরপর শুভম রঞ্জানে একাই লড়াই চালিয়ে যান এবং ৩০ বলে ৫১ রান করেন।
তবে অন্য ব্যাটসম্যানরা তেমন সুবিধা করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রের ১১ ব্যাটসম্যানের মধ্যে মাত্র ৪ জন দুই অঙ্কের স্কোর করতে সক্ষম হন। পাকিস্তানের স্পিনার উসমান তারিক ৩ উইকেট নেন এবং দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পাকিস্তান: ২০ ওভারে ১৯০/৯ (সাহিবজাদা ৭৩, বাবর ৪৬, শাদাব ৩০; শালকভিক ৪/২৫)। যুক্তরাষ্ট্র: ২০ ওভারে ১৫৮/৮ (শুভম ৫১, শায়ান ৪৯, মিলিন্দ ২৯; তারিক ৩/২৭, শাদাব ২/২৬)। ফল: পাকিস্তান ৩২ রানে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: সাহিবজাদা ফারহান।।
টি-টোয়েন্টিতে নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার, সূর্যবংশীর ঐতিহাসিক অভিষেক এবং দলের নতুন মুখ