Published : 29 Jul 2026, 09:28 AM
কল্লোল লাহিড়ীর লেখা উপন্যাস ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ কেবল একটি রেস্তোরাঁর গল্প নয়; এটি জীবনের কঠিনতম সংগ্রাম এবং স্মৃতির এক গভীর অনুভূতি দিয়ে বোনা এক অসাধারণ সৃষ্টি। কলকাতার এক সাধারণ পাইস হোটেলের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে ফুটে উঠেছে খুলনার কলাপোতা গ্রামের কিশোরী ইন্দুবালা এবং তার বর্তমান জীবনসংগ্রামের এক জীবন্ত চিত্র। ২৪ জুলাই, সিলেট বন্ধুসভার উদ্যোগে পাঠচক্রের আসরের মাধ্যমে এই উপন্যাসটি পাঠকের সামনে তুলে ধরা হয়। ভোজনরসিক বাঙালির কাছে হোটেলের প্রেক্ষাপটে লেখা এই গল্পটি বরাবরই মন ছুঁয়ে যায়। গুটিকয় রচনার মধ্যে ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ অন্যতম একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
এই আট অধ্যায়ের উপন্যাসের প্রতিটি নামই যেন বাঙালি হেঁশেলের সুবাস এবং ইন্দুবালার অতীতের কঠিন সংগ্রামের ছাপ বহন করে—যেমন ‘কুমড়ো ফুলের বড়া’ বা ‘বিউলির ডাল’। ইন্দুবালা খুলনার কলাপোতা গ্রামে জন্ম নেন, কিন্তু তার জীবনপথ বদলে যায় যখন তিনি কলকাতার বিপত্নীক মাতাল পুরুষের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। স্বামীর মৃত্যুর পর দিশেহারা ইন্দুবালা কলকাতার সরু গলিতে এক পুরোনো বাড়িতে ভাতের হোটেল শুরু করেন। এই হোটেলটি কেবল একটি স্থান ছিল না, তা হয়ে ওঠে ইন্দুবালার আত্মপরিচয়, তার সংগ্রাম এবং বর্তমানের প্রতীক。 পাঠ পর্যালোচনায় বন্ধু আজিজ বিন আহম্মদ মন্তব্য করেছেন, ‘এই উপন্যাস আমাদের শেখায় যে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আমরা নতুন করে জীবন শুরু করার সুযোগ পাই।’ লেখক সম্পর্কে বন্ধু প্রণব চৌধুরী জানান, ‘লেখক বর্তমান গল্পের মাঝে অতীতের স্মৃতিগুলোকে এমনভাবে엮 করেছেন যে তা পাঠকের মনে এক অসাধারণ সংযোগ তৈরি করে।
’ বন্ধু প্রত্যাশা তালুকদার আরও বলেন, ‘‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ বইটি পাঠককে ইন্দুবালার জীবন ও অনুভূতির জগতে প্রবেশ করিয়ে দেয়।’ পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন দেব রায় সৌমেন, শেখ ফয়সাল আহমেদ, সূবর্ণা দেব, সমরজিৎ হালদার, শ্রেয়ান ঘোষ, কৃত্য ছত্রী, সাজন বিশ্বাস, সৌম্য মণ্ডল, ধীমহি ধৃতি, সুমন দাস, জামিউল হাসান, অমিত দেবনাথ, প্রাণেশ দাস, আহসান উল্লাহ খান, শুভ তালুকদার এবং নয়ন হাজরাসহ বহু সাহিত্যপ্রেমী।।
তারেক রহমানের ক্ষমতা নেই, ৬ মাসে ব্যর্থ: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিস্ফোরক মন্তব্য