Published : 16 Jul 2026, 05:13 PM
কক্সবাজারের সমিতিপাড়া এলাকাটি টানা বৃষ্টি ও বন্যার জলে ভেসে গিয়ে বহু পরিবারকে পানিবন্দী করে রেখেছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই চরম দুর্ভোগের সময়ে কেউ তাদের খোঁজ নেয়নি, ফলে রান্না বা উষ্ণতার ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। এই নীরব কষ্টের মাঝে, গতকাল বুধবার কক্সবাজার বন্ধুসভা মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। প্রথম আলো ট্রাস্টের সহযোগিতায় বন্ধুসভার স্বেচ্ছাসেবকরা সরাসরি সমিতিপাড়ার ২৬০টি পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। প্রতিটি প্যাকেটে চাল, সেমাই, চিনি, আলু, পেঁয়াজ, টোস্ট বিস্কুট, চিড়া এবং লবণসহ প্রায় এক হাজার টাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ছিল। এই সাহায্যের হাত ধরে ৭৮ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা জানান, "শহরের এত কাছে থেকেও আমরা কয়েক দিন অসহায় ছিলাম, কেউ আমাদের খোঁজ নেয়নি।
দুই-তিন দিন রান্না করতে পারিনি। প্রথম আলোর এই সহযোগিতা আমাদের অনেক বড় ভরসা জুগিয়েছে।” হাঁটু জল ঘেরা বাড়িতে থাকা এক গৃহিণী খোরশিদা আক্তার বলেন, "সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে আমরা কোনো সহায়তা পাইনি। কিন্তু প্রথম আলো এবং বন্ধুসভা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের প্রতি আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।” এই পরিস্থিতিতে কক্সবাজার বন্ধুসভার সভাপতি আবদুল নবী বলেন, "আমরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
” বন্ধুসভার সদস্যরা আরও জানান, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁরা অঙ্গীকার করেন যে ভবিষ্যতেও মানবিক সংকটে অসহায় মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় থাকবে। এই মহৎ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক উলফাতুল মোস্তফা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারগুব মোর্শেদ, অর্থ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, প্রচার সম্পাদক ইশরাফ উদ্দিন, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক আয়েশা ছিদ্দিকা, জেন্ডার ও সমতাবিষয়ক সম্পাদক নাদিয়া আকতার, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুজিবুল হাসান, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক আল আমিন, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক মুবিনুল ইসলাম, বন্ধু নাছির উদ্দিন এবং আরিফুল কবির।।
সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত