Published : 09 Jul 2026, 04:02 AM
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে। এই অগ্রগতিকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে অভিহিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, চীনের প্রস্তাবিত করিডোর সংক্রান্ত বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করছে, তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত অবস্থান গ্রহণ করা হয়নি। শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, করিডোর প্রস্তাবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো পরিবহন খরচ কমানোর সুযোগ। চীন সফর থেকে বাংলাদেশ কী লাভ করল—এই প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'আমরা কোনো উপহার নিয়ে যাইনি।
এই সফরটি দুই দেশের সম্পর্কের দিকনির্দেশনা নির্ধারণের জন্য ছিল। যদি সম্পর্ক ঠিক হয়, তবে অন্যান্য সুবিধাগুলো ভবিষ্যতে আসবে। এই বিষয়ে আত্মসম্মানবোধ রাখা উচিত এবং এই ধরনের অস্বস্তিকর প্রশ্ন করা ঠিক নয়।' তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান জানান, এই বিষয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনায় যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই খুব দ্রুত শুরু হবে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও চীন তাদের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করতে একমত।
তিনি যোগ করেন যে, বেইজিং খুব কম দেশের সাথেই এই স্তরের অংশীদারিত্ব বজায় রাখে। এশিয়ার থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো হাতেগোনা কয়েকটি দেশের সাথেই তাদের এমন সম্পর্ক রয়েছে। এখন বাংলাদেশও সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ ও চীনের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের প্রতিফলন এবং এটি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ।।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা: সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অন্য দেশের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই – তথ্য উপদেষ্টা