Published : 09 Jul 2026, 03:51 AM
বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে। এই অগ্রগতিকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, চীনের প্রস্তাবিত করিডোর সংক্রান্ত বিষয়গুলো বর্তমানে বাংলাদেশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করছে, তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত অবস্থান গ্রহণ করা হয়নি। শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, করিডোর প্রস্তাবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো পরিবহন খরচ কমানো।
চীন সফর থেকে বাংলাদেশ কী লাভ করল—এই প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'আমরা কোনো প্রকার অনুগ্রহের বিনিময়ে সফর করিনি। এই সফর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে সঠিক পথে চালিত করার জন্য। যদি এই পথ ঠিক হয়, তবে অন্যান্য সুবিধাগুলো ভবিষ্যতে আসবে। এই বিষয়ে আত্মমর্যাদা বজায় রাখা প্রয়োজন।' তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান জানান, এই বিষয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়েছে এবং তারা আশাবাদী যে খুব দ্রুত এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হবে।
দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীন তাদের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত করতে সম্মত হয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন যে, বেইজিং বিশ্বের সকল দেশের সঙ্গে এই স্তরের অংশীদারিত্ব বজায় রাখে না; এশিয়ার থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো সীমিত সংখ্যক দেশের সাথেই তাদের এমন সম্পর্ক বিদ্যমান। এখন বাংলাদেশও সেই তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব এবং তাদের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন।।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা: সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অন্য দেশের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই – তথ্য উপদেষ্টা