Published : 05 Jul 2026, 04:53 PM
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত 'রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ চুক্তি' বা এআরটি (ART) নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতীয় সংসদে স্পষ্ট করেছেন যে এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে দেশের অবস্থান আরও মজবুত করবে। বুধবার (১৭ জুন) সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সাংসদ এ কে এম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। এই প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজনের তথ্য তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এআরটি চুক্তি হয়েছে, যার ফলে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে।
এই চুক্তিটি দেশের বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের গুরুত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই চুক্তিটি তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তি অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা, জ্বালানি পণ্য, সয়াবিন, গম এবং বিমানসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কিছু বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তেরোটি একাদশ শর্ত মেনে চলতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তির ফলে দেশের রাজস্ব হ্রাস পেতে পারে এবং পণ্য কেনার ক্ষেত্রে মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এর জন্য মার্কিন অনুমতি নিয়ে নীতি নির্ধারণ এবং অসংখ্য শর্ত পালন করা আবশ্যক।।
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির আলোয় বিনিয়োগ ও জ্বালানি সুরক্ষার নতুন দিগন্ত: পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য