Published : 05 Jul 2026, 12:13 PM
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত 'পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি' বা এআরটি (ART)-এর গুরুত্ব নিয়ে জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আলোকপাত করেছেন। যদিও কিছু রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ এই চুক্তির বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন, তবুও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন যে এই চুক্তি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও মজবুত করবে। বুধবার (১৭ জুন) সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সাংসদ এ কে এম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রশ্ন করা হয়েছিল, নতুন রপ্তানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কি আরও বাড়ানো হয়েছে? জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজনের তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি এআরটি চুক্তি হয়েছে, যার ফলে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাক শিল্পে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। এই চুক্তি দেশের বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের প্রভাব বিস্তারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই চুক্তিটি তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষর করেছিল। চুক্তি অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা, জ্বালানি পণ্য, সয়াবিন, গম, বিমানসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে কিছু বাধ্যবাধকতা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তির শর্তাবলী মেনে চলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে এবং মার্কিন অনুমতি সাপেক্ষে কঠোর শর্তাবলী পালন করতে হবে।।
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির আলোয় বিনিয়োগ ও জ্বালানি সুরক্ষার নতুন দিগন্ত: পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য