Published : 25 May 2026, 08:19 PM
সরকারের স্পষ্ট নির্দেশ সত্ত্বেও দেশের প্রায় ১৫ শতাংশ কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস পরিশোধ করা হয়নি। শিল্পাঞ্চল পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৫ মে) পর্যন্ত ১০,২৩৮টি কারখানার মধ্যে প্রায় ১,৫০০টি কারখানা শ্রমিকদের ঈদ বোনাস দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এর মধ্যে পোশাক ও বস্ত্র খাতের কারখানার সংখ্যা ৪০৯টি। শিল্পাঞ্চল পুলিশের বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট ৩,২৭০টি পোশাক ও বস্ত্র কারখানার মধ্যে ৪০৯টিতে এখনো বোনাস দেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, অনেক কারখানায় বেতনও আটকে আছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি মাসের বেতন পরবর্তী মাসের সাত কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধ করার কথা, কিন্তু ১৬২টি কারখানা ২৫ মে পর্যন্ত এপ্রিল মাসের বেতন পরিশোধ করেনি।
এদের মধ্যে ৯২টিই পোশাক ও বস্ত্র কারখানা। এই হিসাব শুধুমাত্র শিল্পাঞ্চল পুলিশের আওতাধীন কারখানাগুলোর, এর বাইরেও অনেক কারখানা রয়েছে যাদের তথ্য এখানে নেই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিল্পাঞ্চল পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পোশাক শিল্প মালিকদের প্রধান সংগঠন বিজিএমইএ-র ১,৫৭০টি সদস্য কারখানার মধ্যে সোমবার পর্যন্ত ২২০টিতে বোনাস দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, বিকেএমইএ-র ৫৮২টি সদস্য কারখানার মধ্যে ১২৬টি এবং বস্ত্র মিল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএ-র ৫৭টি কারখানা এখনো বোনাস পরিশোধ করেনি। পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে উদযাপিত হবে। মালিকপক্ষ জানিয়েছে, বেতন ও বোনাস পরিশোধের জন্য কিছু কারখানা মঙ্গলবারও (২৬ মে) খোলা থাকবে।
তবে বিজিএমইএ জানিয়েছে, গত ২৪ মে থেকেই তাদের অধিকাংশ কারখানায় ধাপে ধাপে ছুটি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, শিল্পাঞ্চল পুলিশের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে বিজিএমইএ। সংগঠনটির দাবি, তাদের ১৭৯৪টি সদস্য কারখানার মধ্যে মাত্র ৪৬টিতে বোনাস এবং এপ্রিলের বেতন বাকি আছে মাত্র ৩টি কারখানায়। এ বিষয়ে বিজিএমইএ-র সহ-সভাপতি মো. রেজওয়ান সেলিম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, 'আমাদের অধিকাংশ কারখানার বেতন ও বোনাস ইতিমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। কারখানাগুলোতে ছুটি শুরু হয়ে গেছে এবং মঙ্গলবারের মধ্যে বাকিগুলোও ছুটি হয়ে যাবে।'।
হামে আক্রান্ত শিশুদের নিথর দেহ: দেশে আরও ১৭ প্রাণ, মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫৪৫!