Published : 17 May 2026, 08:08 AM
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক sorprendente (আশ্চর্যজনক) দাবি করেছেন। তিনি বলছেন, ইরানের বহু মানুষের নামের প্রথম অংশটি প্রায় একই রকম! সম্প্রতি ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে কথা বলার সময় তিনি এই বিষয়ে মন্তব্য করেন। চীনের সাম্প্রতিক সফরকালে ট্রাম্প এই কথা জানান। তিনি বলেন, স্পেস ফোর্স (মহাকাশ বাহিনী) অত্যাধুনিক ক্যামেরা দিয়ে ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোর ওপর নজর রাখছে। তাদের তৈরি করা ৯টি ক্যামেরা মহাকাশ থেকে ইরানের পরমাণু স্থাপনার প্রতিটি গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে। ট্রাম্পের ভাষ্য, ‘ওই অঞ্চলে যারা ঘোরাঘুরি করে, তাদের প্রায় সবার সাথেই আমাদের পরিচয়। মহাকাশ থেকে আমরা তাদের নাম পর্যন্ত পড়তে পারি। তাদের নামের শুরুতে প্রায়ই ‘মুহাম্মদ’ শব্দটি থাকে। ইরানের ৫০ শতাংশ মানুষের নামের প্রথম অংশটি ‘মুহাম্মদ’—এটা বলা ভুল নয়।
মজার বিষয় হলো, আমরা এত দূর থেকে তাদের শার্টের কলারের ‘নেইম ট্যাগ’ পর্যন্ত স্পষ্ট দেখতে পাই!’ এর আগে, গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান যখন যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করেছিল, তখন ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালিয়ে ইরান আমেরিকার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তিনি বরাবরই বলে আসছেন, তেহরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক ক্ষমতা অর্জন করতে দেওয়া যাবে না। যেকোনো শান্তি আলোচনায় এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। ট্রাম্পের মতে, ইরানের কাছে এখন ‘পারমাণবিক ধূলিকণা’ পর্যন্ত অবশিষ্ট নেই। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞে সবকিছু তছনছ হয়ে গেছে। নিউইয়র্ক টাইমস জানাচ্ছে, ট্রাম্পের ‘পারমাণবিক ধুলো’ বলতে আসলে গ্যাসীয় ইউরেনিয়ামকে বোঝানো হয়েছে, যা ইরানের গভীরে লুকানো ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, গ্রীষ্মের হামলায় সেই গোপন মজুত অনেকটাই ধ্বংস হয়ে গেছে। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে ফক্স নিউজের অন্য একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের শারীরিক গঠন নিয়ে প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ‘হলিউডে যদি এমন কাউকে খোঁজা হয়, যে চীনের নেতার চরিত্রে দারুণ মানিয়ে যাবে, তাহলে শি জিনপিংয়ের জুড়ি নেই।
তার মতো ব্যক্তিত্ব দ্বিতীয়বার পাওয়া কঠিন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ করে তার উচ্চতা! তিনি বেশ লম্বা। চীনের মানুষের গড় উচ্চতা কম হওয়া সত্ত্বেও তিনি ব্যতিক্রম।’ চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শেষে গত শুক্রবার চীন থেকে ফিরেছেন ট্রাম্প। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, শি জিনপিং তাকে বলেছেন, তিনি এই সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনতে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ইচ্ছুক। ট্রাম্পের ভাষ্য, ‘শি জিনপিং চান হরমুজ প্রণালির পথ খুলে যাক,’ কারণ চীনের তেল আমদানির প্রধান উৎস এই ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানের ওপর একের পর এক হামলা চালায়, তখন এর জবাবে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করে।।
জাবিতে ছাত্রী নিপীড়নের চেষ্টা: দ্রুত গ্রেফতার না হলে ঢাকা-আরিচা সড়ক ঘেরাওয়ের হুমকি জাকসুর