Published : 10 Apr 2026, 05:05 AM
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের বিচারকার্য আগামী রবিবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। ইরানের সাথে উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার এবং দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের ঘোষণা আসার পরেই আদালতের একজন মুখপাত্র এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে বিমান হামলা চালায়, তার জবাবে ইরানও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে পাল্টা আঘাত করে। নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্প প্রশাসন বরাবরই দাবি করে আসছিলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে থামানো এবং ইসলামিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করাই তাদের এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল। দুই সপ্তাহের বিরতির পর গত বুধবার ইসরায়েলে জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হয়, যার ফলে তেল আবিবসহ অন্যান্য শহরে বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলগুলো পুনরায় চালু হয়েছে। গ্রিনিচ মান সময় বুধবার রাত তিনটার পর থেকে আর কোনো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া যায়নি।
তবে, লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক হামলার কারণে এই যুদ্ধবিরতি বর্তমানে ঝুঁকির মুখে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইরানের সাথে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়। ইসরায়েলি আদালতের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং বিচার ব্যবস্থা পুনরায় সচল হওয়ায় এখন থেকে নিয়মিত শুনানি শুরু হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রবিবার থেকে বুধবারের মধ্যে নেতানিয়াহুর দুর্নীতির মামলার প্রথম শুনানি হতে পারে। নেতানিয়াহু ইসরায়েলের প্রথম ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী যিনি বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন। তবে, কয়েক বছরের তদন্তের পর ২০১৯ সালে তাঁর বিরুদ্ধে আনা ঘুষ, বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির সমস্ত অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।
২০২০ সালে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর কারাদণ্ড হতে পারে। বিভিন্ন কারণে এই বিচার প্রক্রিয়া বারবার বিলম্বিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুর সমর্থনে দাঁড়িয়েছেন এবং ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগকে তাঁর প্রতি ক্ষমা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।।
পুঁজিবাজারে নতুন আলো: বিআরবি ক্যাবল ও আইসিবি ক্যাপিটালের হাত মেলানো