Published : 12 Jun 2026, 02:55 AM
আফগানিস্তানের তিনটি প্রদেশে পাকিস্তানের বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১১ জন শিশু। আফগান তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ আজ বুধবার এই তথ্য প্রকাশ করেন। এই হামলায় দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের আগুন জ্বলে উঠেছে, যা চলতি বছরে ইতিমধ্যেই বহু মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে। জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ আরও জানান, এই আক্রমণে অন্তত চৌদ্দজন আহত হয়েছেন, যাদের সকলেই নারী ও শিশু। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে কুনার, খোস্ত ও পাকতিকা প্রদেশের বেসামরিক নাগরিকদের উপর এই বোমা হামলা চালায়। একসময় মিত্র ছিল এই দুই দেশ, কিন্তু বর্তমানে তারা শত্রুভাবাপন্ন।
গত ফেব্রুয়ারিতে এই দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র লড়াই হয়েছিল। পরবর্তীতে মার্চ মাসে চীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে চেষ্টা করলে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো যায়। এই বিষয়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক মন্তব্য করা হয়নি। তবে দেশটির নিরাপত্তা কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে সন্ত্রাসীদের আস্তানা ও অন্যান্য স্থাপনা লক্ষ্য করে। ইসলামাবাদের অভিযোগ, পাকিস্তানজুড়ে সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বিভিন্ন হামলার পরিকল্পনা করছে। যদিও তালেবান এই অভিযোগ অস্বীকার করে এবং দাবি করে যে সন্ত্রাসবাদের বিষয়টি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।
আরও পড়ুন আফগানিস্তানের তিন স্থানে বিমান হামলা পাকিস্তানের, ৬ জন নিহত ১৩ মার্চ ২০২৬ নতুন করে শুরু হওয়া এই সহিংসতা পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের যুদ্ধবিরতিকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলেছে। একসময়ের মিত্র এই দুই দেশের মধ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। এরপর মার্চ মাসে চীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই দ্বন্দ্বের সমাপ্তি ঘটাতে চেষ্টা করলে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। আরও পড়ুন আফগানিস্তানে ৩৩১ তালেবান যোদ্ধা নিহত, দাবি পাকিস্তানের২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।