Published : 08 Aug 2026, 05:16 AM
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসের উপকূলে পৌঁছানোর সময় বহু অভিবাসনপ্রত্যাশী জীবন বাঁচায়। দেশটির কর্তৃপক্ষ একাধিক নৌকার মাধ্যমে এই যাত্রীদের উদ্ধার করেছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশ ও সুদানের নাগরিক। কিছু মিসরীয়ও এই স্রোতে শামিল। ক্রিট দ্বীপের মতো দক্ষিণাঞ্চলের এলাকায় নৌকায় করে অনিয়মিত অভিবাসীদের আগমন অব্যাহত রয়েছে। লিবিয়া থেকে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার কম সময়ে একের পর এক নৌযাত্রায় অন্তত দু'শত দুই জন অভিবাসনপ্রত্যাশী গ্রিসে পৌঁছেছেন। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের আগমন স্থানীয় প্রশাসন এবং অভিবাসী গ্রহণকেন্দ্রগুলোর ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করেছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে, ৪০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর একটি নতুন নৌকায় করে ক্রিটের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ইয়েরাপেত্রায় পৌঁছায়। এর আগে ইউরোপের সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্স একটি উড়োজাহাজ ব্যবহার করে নৌকাটিকে শনাক্ত করে। উপকূলরক্ষী বাহিনীর সহায়তায় এই যাত্রীদের ইয়েরাপেত্রা বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হয়। আরও উদ্বেগজনক তথ্য হলো, চলতি মাসে অভিবাসন আইন কঠোর করার পর গ্রিস কিছু বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। সম্প্রতি আরও দুটি নৌকায় করে বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে পৌঁছায়। প্রথম নৌকায় ছিলেন ৫৬ জন, যাদের মধ্যে ৩১ জন সুদানের এবং ২৫ জন বাংলাদেশের নাগরিক।
দ্বিতীয় নৌকায়ও ছিল ৫৬ জন, যেখানে ৪৭ জন বাংলাদেশি এবং নয়জন মিসরীয় নাগরিক ছিলেন। উদ্ধার হওয়া সকল অভিবাসনপ্রত্যাশীকে স্থানীয় হেরাক্লিয়ন বন্দরের অস্থায়ী আশ্রয় শিবিরে রাখা হয়েছে। ক্রিট দ্বীপে অভিবাসীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ায় এই আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নতুন আগতদের স্থান দেওয়া হচ্ছে।।
মার্কিন সিনেটে রুশ নিষেধাজ্ঞার বিল পাশ: ভারত ও চীনের ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের আশঙ্কা