Published : 15 Jul 2026, 01:12 AM
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এই ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, চট্টগ্রামের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোতে যে ধরনের চাঁদাবাজি ও হামলা সংঘটিত হয়েছে, তা দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম দুর্বলতার স্পষ্ট প্রতিফলন। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই বক্তব্য পেশ করেন। গাজী আতাউর রহমান এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত শাস্তির দাবি করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের বেসরকারি বিনিয়োগ থমকে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিরাপত্তার অভাব। সরকার দায়িত্ব গ্রহণের চার মাস পেরিয়ে গেলেও এই পরিস্থিতিতে কোনো দৃশ্যমান উন্নতি ঘটাতে পারেনি।
বরং একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যকলাপের খবর সামনে আসছে। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, দেশি-বিদেশি ফোন করে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার হুমকি দেওয়া এবং পূর্বঘোষণা দিয়ে হামলা চালানো কোনো সাধারণ রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। যেখানে সরকার, প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিদ্যমান, সেখানে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও এমনটা ঘটা অসম্ভব। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে চট্টগ্রামে ঠিক এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। সরকারের সমালোচনা করে তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার চেয়ে আইনের ব্যাখ্যায় বেশি মনোযোগ দেন। যদি আইন ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন হয়, তবে সালাহউদ্দিন আহমদকেই আইনমন্ত্রী করা উচিত।
আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণ কাউকে দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কারণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতি রাষ্ট্রকে এক 'ব্যর্থ রাষ্ট্র' হিসেবে চিহ্নিত করছে। ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব আরও মন্তব্য করেন, বিপুল ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার চার মাস পরও যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে না পারে বা বাহিনীকে সচল করতে ব্যর্থ হয়, তবে তা সরকারের সামগ্রিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আরও পড়ুন‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন দুই কোটি টাকা দিবি, মাসে দিবি দশ লাখ’১৩ জুলাই ২০২৬।
এক বছরের শাসনে পদত্যাগ ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর, রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত