Published : 09 Jul 2026, 03:26 AM
ক্রিকেট খেলার মাঠের বাইরেও ভূ-রাজনীতির টানাপোড়েন বরাবরই তীব্র। ফুটবল বিশ্বকাপের প্রেক্ষাপটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক এখন এক নতুন মোড় নিয়েছে। বিশ্বকাপের ঠিক আগে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে ইরানি ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির কারণে দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব আরও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে, অনেকেই ভাবছেন, নকআউটের পর্বে কি এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে? দুই ম্যাচের ফলাফল কোন দিকে নিয়ে যাবে সেই সমীকরণ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। যদিও ফিফার নিয়ম অনুযায়ী ইরান তিনটি ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে খেলেছে, তবুও খেলার অনুমতি থাকলেও থাকার অনুমতি ছিল না। ফলে ম্যাচ শেষে তাদের মেক্সিকোতে ফিরে যেতে হয়েছে, যেখানে তারা বিশ্বকাপের জন্য নিজেদের ঘাঁটি তৈরি করেছে।
গ্রুপ পর্বের দুটি ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই নকআউটের টিকিট হাতে নিয়েছে। তারা দুটি ম্যাচেই জয়লাভ করে 'ডি' গ্রুপ থেকে পরবর্তী ধাপে নিজেদের স্থান পাকা করেছে। তাদের হেড-টু-হেডে এগিয়ে থাকার কারণে তারা গ্রুপ পর্ব শেষ করবে। অন্যদিকে, ইরান দুটি ম্যাচেই ২ পয়েন্ট অর্জন করেছে এবং গ্রুপ 'জি'-তে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তাদের পরবর্তী লড়াই হবে শীর্ষে থাকা মিসরের বিপক্ষে। এই মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা শেষ ষোলোতে (অষ্টম পর্বে) দেখা যেতে পারে, শেষ ৩২-এ নয়।
যদি উভয় দলই নিজেদের শেষ ৩২-এর ম্যাচ জেতে, তবেই শেষ ষোলোতে এই দুই দলের সাক্ষাৎ নিশ্চিত হতে পারে। ৭ জুলাই সকাল ৬টায় সিয়াটলে অনুষ্ঠিত হবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই মহারণ। ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্কের জটিলতা সত্ত্বেও, মাঠের লড়াইয়ে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেমন হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। এই দুই দলের জন্য গ্রুপ পর্ব পার করে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হবে, তবেই চূড়ান্ত পর্বে তাদের দেখা হতে পারে।।