Published : 23 May 2026, 05:16 AM
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানালেন, ইরানের সাথে চলমান আলোচনা এখন প্রায় চূড়ান্ত মুহূর্তে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে, যদি তেহরান কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশটি বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। বুধবার (২০ মে) সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইরানের সাথে চুক্তির একেবারে শেষ ধাপে পৌঁছেছি। এখন দেখা যাক কী হয়! হয় একটি সমাধান বেরিয়ে আসবে, অথবা এমন কিছু কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া হবে যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলবে। তবে, আমি আশা করি এমন কিছু ঘটবে না।” প্রায় ছয় সপ্তাহ আগে ট্রাম্প ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ স্থগিত করে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন।
এরপর থেকে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় খুব সামান্যই অগ্রগতি হয়েছে। এই সপ্তাহে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি নতুন করে হামলার নির্দেশ দেওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন, কিন্তু আলোচনার সুযোগ রাখতে আপাতত তা থেকে বিরত থেকেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “আমরা বিষয়টিকে আরেকবার সুযোগ দিচ্ছি। আমার কোনো তাড়া নেই। তাত্ত্বিকভাবে, আমি অনেক মানুষের জীবনহানি চেয়ে অল্প সংখ্যক মানুষের জীবনহানি দেখতে চাই। তবে, আমরা যেকোনো উপায়েই এই সমস্যার সমাধান করতে প্রস্তুত।
” অন্যদিকে, তেহরান ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পুনরায় যুদ্ধ শুরুর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছে। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাদের ওপর কোনো হামলা হলে তারা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে আরও দূরে গিয়ে প্রতিশোধ নেবে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (রেভল্যুশনারি গার্ডস) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “যদি ইরানের বিরুদ্ধে আবারও কোনো আগ্রাসন চালানো হয়, তবে এই আঞ্চলিক সংঘাতের আগুন এবার পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে পারে।” শান্তি আলোচনায় ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক অডিও বার্তায় বলেছেন, “শত্রুদের প্রকাশ্য ও গোপন তৎপরতা দেখে বোঝা যাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।”।
তেহরানের শান্তি প্রস্তাবের উত্তরে যুক্তরাষ্ট্র কী ভাবছে? ইরানের প্রতিক্রিয়া জানালেন ইসমাইল বাঘাই