Published : 11 May 2026, 10:05 PM
ব্যাংক রেজ্যুলেশন (সংশোধিত) আইনের একটি বিশেষ ধারা নিয়ে দেশের ব্যাংক মালিকদের মধ্যে গভীর উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। এই ধারায় পূর্বে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাৎকারীদের পুনরায় মালিকানা ফিরে পাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)-এর সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার আজ সোমবার (১১ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জানান, এই বিষয়টি নিয়ে তারা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। বৈঠকে এফবিসিসিআই-এর প্রাক্তন সভাপতি ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক এ কে আজাদ, ইউসিবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান শরীফ জহির, পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান এবং ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। আব্দুল হাই সরকার বলেন, “সংশোধিত আইনের এই ধারাটি এমন একটি সুযোগ তৈরি করতে পারে, যেখানে অতীতে ব্যাংকিং খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও অর্থ লুটপাটের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা আবারও ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হতে পারবে।
এতে ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।” তিনি আরও বলেন, “যেসব ব্যক্তি ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে অর্থ নিয়েছেন, তাদের পরিচয় সাধারণ মানুষের কাছেও সুবিদিত। তাদের প্রত্যাবর্তনের সুযোগ দেওয়া হলে ব্যাংকগুলোর ওপর জনগণের আস্থা হ্রাস পেতে পারে, যা নতুন সংকট সৃষ্টি করতে পারে। এই বিষয়ে সরকারের আরও সতর্কতার সাথে বিবেচনা করা উচিত।” বিএবি সভাপতি জানান, গভর্নর তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, সংশোধিত আইনের ১৮(ক) ধারার শর্তাবলী কঠোরভাবে পালন করা হবে এবং এর মাধ্যমে সাবেক মালিকদের প্রত্যাবর্তনের কোনো সুযোগ থাকবে না।
পাশাপাশি, বর্তমানে চলমান পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াও অব্যাহত থাকবে। আব্দুল হাই সরকার বলেন, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নীতি প্রণয়নের পূর্বে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করা উচিত ছিল। তাহলে সিদ্ধান্তগুলো আরও বেশি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর হতে পারত।।
সীমান্ত সুরক্ষায় নতুন পদক্ষেপ: পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর করছে