Published : 02 May 2026, 11:06 PM
ক্রীড়া কূটনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথমবারের মতো ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিভাগ চালু হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়দুল জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে বিশ্ব মঞ্চে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। শনিবার ফরিদপুরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট থেকে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির সূচনা করেন। ফরিদপুর স্টেডিয়ামে এই অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হওয়ার পর প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়দুল বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ফরিদপুর জেলার প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যৌথভাবে ‘স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি’ বা ক্রীড়া কূটনীতির ধারণাটিকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া কূটনীতির ওপর জোর দিয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যোগদানের পর আমি প্রথমবারের মতো ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিভাগ চালু করেছি। এই বিভাগ শুধুমাত্র ক্রীড়া কূটনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই কাজ করবে।” এ বিষয়ে পররাষ্ট্র ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ইতোমধ্যেই আলোচনা হয়েছে। শামা ওবায়দুল আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা ক্রীড়া কূটনীতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। এর মাধ্যমে দেশের তরুণ খেলোয়াড়রা বিদেশে গিয়ে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে এবং বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের পরিচিতি উজ্জ্বল করবে।” ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ একটি সুস্থ প্রজন্ম গঠনে সহায়তা করবে এবং তরুণদের সঠিক পথে পরিচালিত করবে বলে মনে করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি কোমলমতি শিশুদের মাদক থেকে দূরে রাখতে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালে ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, যা তরুণদের মাদক থেকে দূরে থেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে। শিশু-কিশোরদের উৎসাহিত করে শামা ওবায়দুল বলেন, “ফরিদপুর জেলাকে দেশের অন্যান্য জেলার মধ্যে ভালো অবস্থানে রাখতে হবে। ফরিদপুরের ছেলে-মেয়েরা যদি প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে, তবে আমার পক্ষ থেকে তাদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকবে।” এ সময় ফরিদপুর পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মো. ইলিয়াছুর রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।।