Published : 09 Jul 2026, 06:14 AM
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলা কিউআর পেমেন্টের সঙ্গে গ্রাহকদের অতিরিক্ত চার্জ কাটার বিষয়ে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষত, কিছু লোক দাবি করছে যে গ্রাহকরা যখন কোনো অর্থ পেমেন্ট করেন, তখন তাদের অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। এই ধরনের প্রচারণার ফলে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে বাংলা কিউআর পরিষেবার প্রতি এক ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে। তবে এই সব জল্পনার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, কেনাকাটার ক্ষেত্রে গ্রাহককে কোনো অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, একজন ক্রেতা হিসেবে শূন্য শতাংশ চার্জ দিয়েই পণ্য কেনা সম্ভব।
এই চার্জের দায়ভার বিক্রেতা বা মার্চেন্টের উপর বর্তায়। ব্যয়ের সঠিক চিত্রটি নিচে তুলে ধরা হলো— বিক্রেতার খরচ: ১ হাজার টাকার লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ টাকা এবং এর সাথে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে, যার ফলে মোট ১১ টাকা ৫০ পয়সা মার্চেন্টের খরচ হিসেবে গণ্য হবে। অনেকে জানতে চেয়েছেন, কেন এই খরচ বহন করতে হবে? বর্তমানে অনেক বিক্রেতা, যেমন—আড়ং, মীনা বাজার, ইউসিবি, ইজি ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ছাড় দিয়ে থাকে। কিন্তু ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের জন্য তাদের নিজস্ব কিছু চার্জ দিতে হয়। এই খরচ বহন করলেও ক্রেডিট কার্ডের ছাড়ের কারণে তাদের বিক্রির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
সাধারণ গ্রাহকদের জন্য পরামর্শ হলো— ডিজিটাল পেমেন্ট সংক্রান্ত গুজবে কান দেবেন না। পণ্য কেনার পর কিউআর কোডের মাধ্যমে পেমেন্ট করার সময় অবশ্যই সতর্ক থাকুন। যদি কোনো বিক্রেতা পণ্যের মূল্যের অতিরিক্ত টাকা দাবি করে, তবে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ ও নিয়মবহির্ভূত। এমন দাবি করলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, এমএফএস প্রোভাইডার বা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ জানানো উচিত।।
মধ্যম শক্তির পথে বাংলাদেশ: বিভিন্ন জোটে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা