Published : 08 Jul 2026, 11:47 PM
রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন যে, দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ব্যর্থতার কারণে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করবেন। এই মন্তব্যটি এমন সময়ে এলো যখন চারপাশে জল্পনা চলছিল যে স্টারমার হয়তো সোমবারই পদ ছাড়বেন। এই দাবি প্রকাশ্যে আসার পরই ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, 'যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেবেন কিয়ের স্টারমার।' তবে ট্রাম্পের এই দাবি কি কোনো নিশ্চিত তথ্য নাকি চলমান জল্পনার ওপর ভিত্তি করে করা মন্তব্য, তা স্পষ্ট নয়। ব্রিটেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে খবর অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ফ্রান্সে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে শেষবার দেখা হয়েছিল এই দুই নেতার। এরপর তাদের মধ্যে আর কোনো আলোচনা হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেবার পার্টির নেতা স্টারমারের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, স্টারমারের রাজনৈতিক পতনের পেছনে রয়েছে তার কিছু ত্রুটিপূর্ণ নীতি।
ট্রাম্প উল্লেখ করেন, স্টারমার অভিবাসন এবং জ্বালানি সংক্রান্ত দুটি বিষয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি আরও মন্তব্য করেন, '(উত্তর সাগরের তেল উন্মুক্ত করুন!)'। দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্প ব্রিটিশ সরকারকে উত্তর সাগরে নতুন তেল ও গ্যাস উত্তোলনের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দিয়ে আসছেন। এছাড়াও, তিনি ব্রিটেনের বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর সমালোচনা করেছেন। একসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্টারমারকে 'ট্রাম্প হুইস্পারার' উপাধি দিয়েছিলেন, কারণ তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষে ছিলেন। কিন্তু ইরান যুদ্ধের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। স্টারমারের পদত্যাগের বিষয়ে ট্রাম্পের এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্র সিএনএনকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করেন, যেখানে স্টারমার বলেছিলেন, 'এখনও অনেক কাজ বাকি, আর আমি সেদিকেই মন দিচ্ছি।
' মুখপাত্র জানান, এই বিষয়ে আর কিছু বলার নেই। অন্যদিকে, রোববার বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটেনের বাণিজ্যমন্ত্রী পিটার কাইল মন্তব্য করেন যে, স্টারমার এই সপ্তাহান্তে 'রাজনৈতিক বাস্তবতা' নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করছেন এবং 'দেশের জন্য যা মঙ্গল, প্রধানমন্ত্রী সেটাই করবেন'। এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সিএনএন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোতে নিয়মিত খবর আসছে যে, সোমবারই স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন। এবং তার উত্তরসূরি হিসেবে দলের বৃহত্তর অংশের সমর্থন পেতে চলেছেন সম্প্রতি এক উপনির্বাচনে বড় জয় পাওয়া ম্যানচেস্টারের বিদায়ী মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।।
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের পথে অগ্রগতি: নতুন উপজেলা ও থানা অনুমোদনে সরকার