Published : 09 Jul 2026, 05:38 AM
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অ্যাডহক কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে রিট আবেদন জানানো হয়েছে। এই কমিটিটি বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত। রিটের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একই সাথে, নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই অ্যাডহক কমিটির কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদনও করা হয়েছে। এই রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।
এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিবাদী করা হয়েছে। এর আগে, গত ৩০ জুন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বার কাউন্সিল পরিচালনার জন্য ১৫ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছিল। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল নিযুক্ত হন। কমিটিতে সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, নাসির উদ্দিন অসীম, সরকার তাহমিনা বেগম সন্ধ্যা, অ্যাডভোকেট মো. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আলী আসগর, অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান মিলন অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এই আইনজীবীরা মূলত বিএনপিপন্থী হিসেবে পরিচিত।
এছাড়াও, জামায়াতপন্থী আইনজীবী অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দীন সরকার, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং এনসিপির আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপুকেও এই কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর ৪ নম্বর অনুচ্ছেদের (২) ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এক বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।।
২০২৭ সালে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের নতুন দিগন্ত: যাত্রীদের জন্য আসছে বর্ধিত পরিষেবা