Published : 25 May 2026, 04:20 PM
এবছর বক্স অফিসে বেশ কিছু বড় বাজেটের চলচ্চিত্র সাফল্য লাভ করলেও, ‘অবসেশন’ নামের একটি ছবি সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। মাত্র সাড়ে সাত লক্ষ ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই ছবিটি লাভের হিসেবে অন্যান্য ব্যয়বহুল চলচ্চিত্রকেও ছাড়িয়ে গেছে। ‘মাইকেল’ বা ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’র মতো বিগ-বাজেটের ছবিগুলো যেখানে তাদের নির্মাণ খরচের কয়েকগুণ লাভ করেছে, সেখানে ‘অবসেশন’ প্রায় ১০০ গুণ বেশি আয় করেছে। লেখক ও পরিচালক কারি বার্কারের এই ইন্ডিপেন্ডেন্ট হরর ফিল্মটি সম্ভবত এ বছরের সবচেয়ে বড় সাফল্যের গল্প। মুক্তির পর থেকে ছবিটি প্রতিদিন বক্স অফিসে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। প্রায় ১০ কোটি টাকা বাজেটে তৈরি এই ছবিটি বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যেই ৮০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। অর্থাৎ, এই ছবির মুনাফার হার ১০ হাজার শতাংশের বেশি! এবছর আর কোনো ছবি এত বেশি লাভজনক হয়নি।
মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ছবিটি উত্তর আমেরিকায় ১৬ মিলিয়ন ডলার আয় করে, যা দ্বিতীয় সপ্তাহে বেড়ে দাঁড়ায় ২২ মিলিয়ন ডলারে। সীমিত সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলেও, ছবিটি দেশের বাইরেও দারুণ ব্যবসা করছে। উত্তর আমেরিকার বাইরে এটি ইতিমধ্যে ২১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। ‘অবসেশন’ এখন ১০০ মিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করার পথে। যদি এটি সম্ভব হয়, তাহলে ‘প্যারানরমাল অ্যাকটিভিটি’ এবং ‘দ্য ব্লেয়ার উইচ প্রজেক্ট’-এর পর এটি হবে তৃতীয় চলচ্চিত্র, যা ১ মিলিয়ন ডলারের কম বাজেটে ১০০ মিলিয়ন ডলার আয় করবে। অন্যদিকে, ‘মাইকেল’ এখন পর্যন্ত ৭৮৮ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে, যা তার বাজেটের মাত্র ৫ গুণ। ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ ৬৭৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে, যা তার বাজেটের প্রায় ৩ গুণ।
কারি বার্কারের লেখা, পরিচালনা ও সম্পাদনার এই ছবিতে বিয়ার নামের এক মিউজিক স্টোরের কর্মীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাইকেল জনস্টন। সে একটি রহস্যময় খেলনা কেনে, যা তার ছোটবেলার বন্ধু নিকিকে (ইন্দে নাভারেট) আকৃষ্ট করতে সাহায্য করবে বলে মনে করে। কিন্তু এর ফলস্বরূপ ঘটতে থাকে একের পর এক ভয়ংকর ঘটনা। গত ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগে টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘অবসেশন’-এর প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ছবিটি সমালোচকদের কাছ থেকেও ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে।।
সরকারি দপ্তরগুলোতে নতুন চমক, তিন কর্মকর্তার সচিব পদে পদোন্নতি