Published : 21 May 2026, 11:59 PM
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সাথে বর্তমানে যে আলোচনা চলছে, তা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে, যদি তেহরানের সাথে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হয়, তাহলে তিনি দেশটিতে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। বুধবার (২০ মে) সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইরানের সাথে চুক্তির একেবারে শেষ ধাপে এসে পৌঁছেছি। এখন দেখা যাক কী হয়! হয় একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে, অথবা আমরা এমন কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নেব যা মোটেও সুখকর হবে না। তবে আমি আশা করি পরিস্থিতি তেমন খারাপ হবে না।” প্রায় ছয় সপ্তাহ আগে ট্রাম্প ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ স্থগিত করে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন।
এরপর থেকে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় খুব সামান্যই অগ্রগতি হয়েছে। এই সপ্তাহে ট্রাম্প জানান, তিনি নতুন করে হামলার নির্দেশ দেওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন, কিন্তু আলোচনার সুযোগ রাখতে আপাতত তা থেকে বিরত থেকেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “আমরা বিষয়টিকে আরেকবার সুযোগ দিচ্ছি। আমার কোনো তাড়া নেই। আমি আদর্শগতভাবে চাই, খুব কম সংখ্যক মানুষ প্রাণ হারাক। তবে আমরা যেকোনো উপায়েই এই সমস্যার সমাধান করতে প্রস্তুত।
” অন্যদিকে, তেহরান ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পুনরায় যুদ্ধ শুরুর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছে। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাদের ওপর কোনো হামলা হলে তারা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে এর বাইরেও প্রতিশোধ নেবে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (রেভল্যুশনারি গার্ডস) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “যদি ইরানের বিরুদ্ধে আবারও আগ্রাসন চালানো হয়, তবে এবার এই আঞ্চলিক সংঘাতের আগুন ছড়িয়ে পড়বে আরও দূরে।” শান্তি আলোচনায় ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি অডিও বার্তায় বলেছেন, “শত্রুদের প্রকাশ্য ও গোপন তৎপরতা দেখে বোঝা যাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।”।
কৃষি ও প্রকৃতির সুরক্ষায় পদ্মা-তিস্তা ব্যারেজ: সরকার নিচ্ছে যুগান্তকারী পদক্ষেপ