Published : 19 May 2026, 07:25 PM
দেশের উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের জলকষ্ট দূর করতে তিস্তা মেগা প্রকল্পকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান জানান, বন্যা ও নদীভাঙন রোধের পাশাপাশি এবার এই প্রকল্পে জল সংরক্ষণের আধুনিক ও কার্যকরী উপায় যুক্ত করা হবে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এসময় উপস্থিত ছিলেন। ড. রহমান বলেন, “যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) উপদেষ্টা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনাকালে একটি বিষয় বিশেষভাবে উঠে আসে— শুধু বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও ভাঙন রোধ করাই যথেষ্ট নয়, বরং শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত জল সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
” বর্তমানে প্রকল্পে তিস্তা নদীর প্রস্থ ৮০০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা, ড্রেজিং করে গভীরতা বাড়ানো এবং পাড় সংরক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এগুলো মূলত বন্যা ও ভাঙন প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ড. রহমান আরও বলেন, “তিস্তা অববাহিকায় নদী ভাঙন একটি বড় সমস্যা, অন্যদিকে বন্যাও একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, এই প্রকল্পে পদ্মা ব্যারাজের মতো জল সংরক্ষণের তেমন কোনো কার্যকরী ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তায় জলের তীব্র সংকট দেখা যায়।
” প্রধানমন্ত্রী যথার্থই প্রশ্ন করেছেন, “পদ্মা ব্যারাজে বর্ষার জল আটকে রেখে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহার করা গেলে, তিস্তার ক্ষেত্রেও তো একই রকম ব্যবস্থা থাকা উচিত, তাই না?” এই কারণে তিস্তা মেগা প্রকল্পে জল সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের নতুন পরিকল্পনা যুক্ত করে প্রকল্পটি পুনর্গঠন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এজন্য একটু সময় লাগছে, তবে আমরা আশা করি জনগণ বুঝতে পারবেন যে দীর্ঘমেয়াদে মানুষের কল্যাণে আরও কার্যকর ও সমন্বিত একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এই পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে।”।
হামের প্রকোপ: হাইকোর্টের নির্দেশ, শিশুদের সুরক্ষা ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে প্রশ্ন