Published : 04 May 2026, 07:06 PM
রাজশাহীর দুর্গাপুরে এক গভীর নলকূপের অপারেটরকে তাঁর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, তিনি বোরো ধানের জমিতে জল না দিয়ে মাছের পুকুরে সেই জল সরবরাহ করছিলেন, যার ফলে প্রায় ৪০ বিঘা জমি পতিত রয়েছে। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) আজ সোমবার এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। সম্প্রতি প্রথম আলো অনলাইনে ‘রাজশাহীর দুর্গাপুর: বিরোধের জেরে ৪০ বিঘা জমি পতিত রেখে পুকুরে পানি দিচ্ছেন অপারেটর’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, অপারেটর গোলাম রাব্বানী ইচ্ছাকৃতভাবে বোরো চাষের জন্য জল না দিয়ে পুকুরে সরবরাহ করছেন। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে ওই এলাকা পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে অভিযোগের প্রমাণ পান।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে জমিতে জল সরবরাহ না করার গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে অপারেটর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। তাঁকে আগামী তিন দিনের মধ্যে নলকূপের সমস্ত সরঞ্জাম সংশ্লিষ্ট মেকানিকের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে গোলাম রাব্বানী দুর্গাপুর উপজেলার কিসমত বগুড়া গ্রামের ৫৮ জন কৃষকের প্রায় ৪০ বিঘা জমিতে সেচ দেননি। এর আগে তিনি কৃষকদের পাকা শর্ষের খেত ইচ্ছাকৃতভাবে জল দিয়ে নষ্ট করে দিয়েছিলেন। এই নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে তাঁর হাতাহাতি হয় এবং মুজিবুর রহমান নামের এক কৃষকের হাত ভেঙে যায়। এরপর স্থানীয়রা সমিতির মাধ্যমে নলকূপ চালানোর সিদ্ধান্ত নিলে, অপারেটর তাঁদের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বেশি দামে কৃষকদের কাছে জল বিক্রি করতে শুরু করেন।
কৃষকরা বোরো ধান রোপণের সময় বিএমডিএ-র কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। কর্তৃপক্ষ তাঁকে একাধিকবার নোটিশ দিলেও তিনি উপস্থিত হননি এবং কোনো জবাব দেননি। বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এখন একটি কমিটি গঠিত হবে এবং সেই কমিটির মাধ্যমে নলকূপটি পরিচালিত হবে।।
বাণিজ্যমন্ত্রীর ঘোষণা: দেশীয় স্বার্থে মার্কিন চুক্তির ধারা পরিবর্তনে সুযোগ