Published : 23 Apr 2026, 07:06 PM
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো ডিনস অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে অসাধারণ কৃতিত্ব, গবেষণা এবং প্রকাশনায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য অনুষদের ১০ জন শিক্ষার্থী ও ৩ জন শিক্ষক এই সম্মাননা লাভ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট, সনদ এবং চেক তুলে দেওয়া হয়। এবারে চারটি ভিন্ন বিভাগে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় অনুষদভুক্ত ১০টি বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ‘সেরা শিক্ষার্থী’ হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়। এই সম্মাননা পেয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বর্ষা রানী মণ্ডল, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের রিফাহ রাফিয়া বারী, অর্থনীতি বিভাগের নাফিসা ইয়াসমিন, সমাজকর্ম বিভাগের অন্তরা, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সানজিদা ফারজানা, ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের রাজিয়া সুলতানা, লোকপ্রশাসন বিভাগের মমতাজ ফারজানা, নৃবিজ্ঞান বিভাগের জান্নাতুল মাওয়া, ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের তৃষা দাস এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আশরাফুল খান।
শিক্ষকদের মধ্যে ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আরমান হোসেন ‘সেরা প্রবন্ধ’, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক আওয়াল হোসেন মোল্যা ‘সেরা গ্রন্থ’ এবং ড. প্রণব কুমার পান্ডে ‘সেরা গবেষক’ হিসেবে নির্বাচিত হন। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের প্রাক্তন ডিনদের বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, এই স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে নতুন উদ্দীপনা যোগাবে এবং তারা যেন অর্জিত জ্ঞান সমাজের কল্যাণে কাজে লাগায়। উপাচার্য আরও বলেন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং ২০২৫ সাল থেকে এই সম্মাননা চালু হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভবিষ্যতেও এই আয়োজন নিয়মিতভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে।
সভাপতির বক্তব্যে অনুষদের ডিন ও সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বলেন, ১৯৮৫ সালে যাত্রা শুরু হওয়া এই অনুষদে দীর্ঘ ৪ দশক পর প্রথমবারের মতো এই পুরস্কার চালু করা সম্ভব হয়েছে। ২০১৪ সালে এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমান প্রশাসনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এটি আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে।।
ব্যাংকিং খাতে চরম দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের প্রতিবাদে আইনজীবীদের স্মারকলিপি