Published : 09 Apr 2026, 03:06 AM
জুলাইয়ের অঙ্গীকার ও গণভোটের जनाদেশ বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী অনির্দিষ্টকালের জন্য আমরণ অনশন শুরু করেছেন। গুম-খুনের প্রতিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো সংসদে তোলার দাবিতে তিনি এই কর্মসূচি পালন করছেন। তাঁর সাথে একাত্মতা পোষণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য এক শিক্ষার্থীও অনশনে যোগ দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম বুধবার বিকেলে রাজু ভাস্কর্যের সামনে এই অনশন শুরু করেন। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের কার্যনির্বাহী সদস্য তিনি। পরে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান তাঁর সাথে সংহতি জানিয়ে অনশনে বসেন। সাদিক সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, তা বহু প্রাণের ত্যাগে অর্জিত।
কিন্তু ফ্যাসিবাদী ধ্যানধারণা সংস্কারের অভাবে ন্যায়বিচার ও সমতা আজ হুমকির মুখে। আমাদের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হতে চলেছে।” তিনি অভিযোগ করেন, “গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করে জাতিকে আবারও অন্ধকার পথে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। গুম, খুন ও দুর্নীতির জিঞ্জিরে আবদ্ধ করার অপচেষ্টা আমরা মেনে নেব না। তাই একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি জুলাইয়ের আদর্শ ও জনগণের রায় রক্ষায় রাজু ভাস্কর্যে অনশন শুরু করেছি।” সাদিক তাঁর দাবিগুলো তুলে ধরতে বলেন, “গণভোট নিয়ে লুকোচুরি বন্ধ করে বিষয়গুলো সংসদে উত্থাপন করতে হবে এবং জনমতকে সম্মান জানাতে হবে। গুম-খুনের প্রতিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো সংসদে বিল আকারে পেশ করতে হবে।
এছাড়াও, জুলাই সনদে উল্লেখিত বিষয়গুলো বাস্তবায়নের জন্য একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা প্রকাশ করতে হবে।” বুধবার মধ্যরাতে রাজধানীতে ঝড়-বৃষ্টি হলেও সাদিক ও সাকিব অনশন চালিয়ে যান। তাঁদের সাথে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ রাত সাড়ে নয়টায় রাজু ভাস্কর্যে এসে যোগ দেন। বৃষ্টিতে ভিজে তাঁরা সাদিক ও সাকিবের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন। সেখানে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁদের সমর্থন জানান।।
চালকবিহীন পথচলা! নিজ হাতে গাড়ির স্টিয়ারিং নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী