Published : 09 Jul 2026, 09:04 AM
অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তাঁর স্ত্রী এবং দুই সন্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আবারও পিছিয়ে গেছে। আদালত অভিযোগ গঠনের জন্য আগামী ১০ আগস্ট নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে। এই সিদ্ধান্ত বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আবদুস সালাম কর্তৃক ধার্য করা হয়। এর আগে গত ২৪ মে একই কারণে এই শুনানির সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর শাহ মো. নাজমুজ সাকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার নির্ধারিত দিনে শুনানি সম্ভব হয়নি এবং আদালত নতুন তারিখ দিয়েছে।
এই মামলার মধ্যে শুধুমাত্র আসামি মুদ্দাসির খান জ্যোতি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন, বাকি অভিযুক্তরা পলাতক। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই মামলার অন্যান্য অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, ছেলে শাফি মুদ্দাসির খান জ্যোতি এবং মেয়ে শাফিয়া তাসনিম খান। সকালে কারাগারে থাকা আসামি জ্যোতিকে আদালতে হাজির করা হলেও, ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক ছুটিতে থাকায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। এই কারণে ভারপ্রাপ্ত বিচারক নতুন তারিখ ধার্য করেন। শুনানি না হওয়ায় শাফি মুদ্দাসির খান জ্যোতিকে আদালতের এজলাসে নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় দুপুর ১২টা ২ মিনিটে হাজতখানায় রাখা হয়। ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক মামলা দায়ের করে।
এই মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়। তদন্ত শেষে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর আসাদুজ্জামান খান কামালসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র পেশ করা হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসাদুজ্জামান খান একজন পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে অসাধু উপায়ে অপরাধমূলক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ২২ কোটি ৫৮ লক্ষ ৪০ হাজার ১৬২ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়াও, এই আসামিরা ৯টি ব্যাংক ব্যবহার করে ৮৭ কোটি ৪৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৩৩ টাকা লেনদেন করে মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ 'দুর্নীতি ও ঘুষ' সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে তা রূপান্তর, স্থানান্তর বা হস্তান্তর করেছেন।।
ঋণ আত্মসাতের মামলায় এস আলম ও পি.কে. হালদারের বিরুদ্ধে এফএসআইবি কর্মকর্তার সাক্ষ্য