Published : 30 Apr 2026, 01:05 PM
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে শ্রম আইনগুলির যথাযথ প্রয়োগের ওপর জোর দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। গতকাল বুধবার সকালে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রীর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মন্ত্রী বাংলাদেশের শ্রমখাতে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আশা করেন, ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং এই খাতের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একসাথে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম সংক্রান্ত ১১টি শর্তের সাথে সঙ্গতি রেখে বাংলাদেশের শ্রম আইন (সংশোধন), ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন শ্রম আইন সংশোধনের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান এবং আইএলও কনভেনশন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১১ দফা নতুন আইনে অন্তর্ভুক্ত করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সমঝোতা বাস্তবায়নে এই আইনের কার্যকর প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রদূত দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন করে আইনটি কার্যকর করার ওপর জোর দেন। জবাবে মন্ত্রী বিধিমালা তৈরির মাধ্যমে দ্রুত আইনটি কার্যকর করার আশ্বাস দেন।
একইসাথে, শ্রমিকদের অধিকার এবং কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা কামনা করেন। রাষ্ট্রদূত ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও আধুনিকীকরণ এবং প্রতি তিন বছর পর পর শ্রমিকদের বেতন সমন্বয়ের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর হবে। অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুর রহমান তরফদার, যুগ্ম সচিব আবদুছ সামাদ আল আজাদ, মার্কিন দূতাবাসের কাউন্সিলর এরিক গিলান ও শ্রম অ্যাটাশে লীনা খান উপস্থিত ছিলেন।।
জ্বালানি দুর্নীতিতে সরকারের ঢিলেঢালা ভাব, ক্যাবের উপদেষ্টার কঠোর সমালোচনা