Published : 30 Jun 2026, 09:10 PM
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ইতিমধ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে। তবে এই চুক্তির বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে, সেই দাবি করেছেন ট্রাম্পের রাজনৈতিক বিরোধীরা। জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্সে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর ট্রাম্প জানান, এই চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীর কিছু অংশ উন্মুক্ত করা হয়েছে। এই সমঝোতার আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। চুক্তির নথি কবে প্রকাশ করা হবে, সেই প্রশ্নে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন যে এটি খুব শীঘ্রই প্রকাশিত হবে। মার্কিন সিনেটের ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা চাক শুমার ট্রাম্পের কাছে এই চুক্তির সম্পূর্ণ বিবরণ এবং স্বচ্ছতা চেয়েছেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই চুক্তির ফলে আমেরিকার জনগণের অধিকার এবং সামরিক নিরাপত্তার বিষয়টি কীভাবে সুরক্ষিত থাকবে?} এদিকে, ইসরায়েলের সেনারা লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ড্রোন হামলা চালায়। এই চুক্তি যে ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে রয়েছে, তা সেই পরিস্থিতিরই প্রতিফলন। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথভাবে হামলা শুরু করেছিল, কিন্তু যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইসরায়েলের কোনো পরামর্শ ছিল না। এরপরেই লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইরান আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের আক্রমণের শিকার হয়। ইরান দাবি করেছে, লেবাননে হামলা বন্ধ করার শর্তই হলো তাদের সঙ্গে একটি সমঝোতা করা। যদিও ইসরায়েল সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার রাখে বলে দাবি করে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি এই চুক্তির কোনো শর্ত ছিল না। তিনি আরও বলেন, এটি মূলত একটি যুদ্ধবিরতি এবং এটি কোনো একতরফা চুক্তি হবে না। এর অর্থ হলো, যদি ইরান হিজবুল্লাহকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হয় এবং তারা ইসরায়েলি অবস্থান বা শহরে আক্রমণ করে, তবে ইসরায়েলের আত্মরক্ষা ও পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার থাকবে।।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির বিলম্বের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করলেন ট্রাম্প