Published : 16 Aug 2026, 07:16 PM
রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় গাড়ি দহনের অভিযোগে সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য পুলিশের আবেদন আদালত প্রত্যাখ্যান করেছে। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এই সিদ্ধান্ত দেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাদিকের আইনজীবী আল আমিন। তিনি দাবি করেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা নেই, তাই তাঁকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই এবং আশা করা যায় খুব শীঘ্রই তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হবেন। গাড়ি পোড়ানোর এই ঘটনাটি ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জ্যোতির্ময় মন্ডল কর্তৃক দায়ের করা মামলার অংশ।
তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক দাখিল করা পুলিশি ব্যাখ্যার ভিত্তিতে আদালত এই রায় দেয়। পুলিশের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকাকালীন মেজর সাদিকুল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পাশের কেবি কনভেনশন হলে ২০২৫ সালের ৩ থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মীর সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন। এই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা এবং দল দুটির কার্যক্রমকে গতিশীল করা। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই পরবর্তীতে বাদীর গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা আরও যোগ করে বলা হয়েছে, সাদিকুল 'প্রধান প্রশিক্ষক' ও 'কানেক্টর' হিসেবে কাজ করতেন।
তিনি রূপগঞ্জের সি-সেল রিসোর্ট, কাঁটাবনের রেস্তোরাঁ, মিরপুর ডিওএইচএস, উত্তরা এবং প্রিয়াংকা সিটির নিজ ফ্ল্যাটে স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনসহ একাধিক গোপন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করতেন। এই গোপন কার্যকলাপের মাধ্যমেই পলাতক নেতারা শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে দেশের পরিস্থিতি অস্থির করার পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এই তথ্য পর্যালোচনা করে আদালত সাবেক মেজর সাদিকুলের গ্রেপ্তারি আবেদন খারিজ করে দেন। পূর্বেও এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা এবং সামরিক আদালতের রায়ের মতো একাধিক আইনি জটিলতা রয়েছে, যা এই মামলার প্রেক্ষাপটকে আরও জটিল করে তুলেছে।।
খালেদা জিয়ার সমাবেশে বাধা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল রিমান্ড শেষে কারাগারে